Sulpher
Dr. Shaheda
সালফার অত্যন্ত অলস,স্বার্থপর,নিজেকে মহা পন্ডিত ভাবে,নিজের দোষ স্বীকার করেনা,জানুক বা না জানুক সকল বিষয়ে তর্ক করতে থাকে,এবং তার কথার সাথে একমত না হলে সে চটে যায়,অত্যন্ত আলস্যপ্রিয়,একটু ও নড়তে চায়না,কিন্তু পরের উপর হুকুম জ্রারি করতে ওস্তাদ,দ্রুত কথা বলে,ছেড়া পোশাক পরেো মনে করে রাজ পোশাক পরেছে,সে চায় সবাই তাকে মহা পন্ডিত, মহা কর্মবীর হিসাবে গন্য করুক,অথচ সে যেমন অলস,তেমনই পরছিদ্রান্বেষী, মাথার তালু,হাতের তালু,পায়ের তলায় উত্তাপ বোধ ও জ্বালা এতো বেশি যে সালফার রোগী মাথা আবৃত রাখিতে পারে না,বরং মাথায় ঠান্ডা বাতাস পছন্দ করে,পায়ে জুতা মোজা রাখিতে পারে না,যদ তাড়াতাড়ি সেটা খুলে ফেলতে পারলেই যেন বেঁচে যায়,শীতকালেও পা লেপের ভিতরে রাখতে পারে না,ছোট ছেলে মেয়েরা প্রায়ই বিছানা ছেড়ে ঠান্ডা ফ্লোরে ঘুমাতে ভালোবাসে, সালফার গরম কাতর,তবে সালফারের একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হলো সে ঠান্ডা পছন্দ করে কিন্তু গোছল পছন্দ করে না,কারণ গোছল করলে তার সমস্যা বেড়ে যায়, আরও একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ লক্ষণ হলো এই রোগীর বেলা ১১ টায় ক্ষুধা লাগে,তখন তাগারা কিছু না খেলে দুর্বলবোধ করে। চর্ম রো গ চাপা দেওয়ার কুফল,টিকা জনিত কুফল,পারদের অপ ব্যাবহারের কুফল দুরিকরনে সালফার কার্যকর। উপযুক্ত ঔষধের ব্যর্থথায় ও সালফার প্রয়োগ করলে ভাল ফল পাওয়া যায়, সালফার এর পর ক্যালকেরিয়া কার্ব ব্যাবহার করা যায় কিন্তু ক্যালকেরিয়ার পর সালফারের লক্ষণ থাকলেও সালফার কোন ভাবেই প্রয়োগ করা যাবেনা।
Dr M F Masum : সালফার এর রোগী চিনার সহজ একটি ইমপর্টিন লক্ষন " যদি কেন রোগী দেখেন যিনি ঠান্ডা পছন্দ করেন , কিন্তু গোছল পছন্দ করেনা" অথচ গরম সহ্য হয়না সে ১০০ % সালফারেরে রোগী । যখন কোন রোগী কে সঠিক ঔষধ দেয়ার পর কাজ করেনা , তাহলে দেখতে হবে এর পিছনে কি কারন রয়েছে ? টিউবারকুলার ও ক্যান্সার মায়াজমের আধিক্য থাকায় অনেক সময় সঠিক ঔষধ কাজ করেনা। রোগী লিপী ও রোগীকে পর্যালোচনার করে কয়েক মাত্রা টিউবারকুলিনামম রা কারসিনোসিন প্রয়োগে সে বাঁধা দুর হয়ে যায়। তারপর আবার সঠিক ঔষধ প্রয়োগে খুব ভাল কাজ করে। আর যখন সঠিক ঔষধ প্রয়োগের পর কাজ না করে , এবং তার পিছনে সঠিক কোন কারন পাওয়া না যায় তখন কয়েক মাত্রা সালফার প্রয়োগে সে বাঁধা দুরহয়ে যাবে। এরপর সঠিক ঔষধ প্রয়োগে ভাল কাজ করে ।এসব কিছু বাহির করার জন্য মায়াজম সম্পর্কে ভাল ধারনা রাখতে হবে।
অনেকেই ঔষধ প্রয়োগনীতি না জানার কারনে ঔষধকে একাধারে চালিয়ে যান, আমি এক ডাক্তার কে দেখলাম সালফার একাধারে ১ মাস খেতে দিলেন, এটা কখনো উচিত নয়। এতে ঔষধজ বৃদ্ধি ঘটে। যে কোন ঔষধ 3/4 দিনের বেশি দেয়া উচিত নয়। কোন ঔষধ প্রয়োগের পর ১/২ বার খাওয়ার পর যদি রোগী উপকার বোধ করে , সাথে সাথে ঔষধ বন্ধ করে দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে ৪/৫ দিন ঔষধ কন্টিনিউ করা যাবেনা । মূল ঔষধ বন্ধ করে এ সময় রোগীকে বুঝ দেয়ার জন্য মূল্যবান ঔষধ ফাই্টাম / নাহিলাম/ লামসাম ব্যবহার করতে হবে।চর্ম রোগ ভাল করা খুব কঠিন , বিশেষত সালফারের রোগীদের চর্মরোগ বার বার ফিরে আসে। এবং সালফার প্রত্যেক বার কমতে থাকে। এক পর্যায়ে চর্মরোগ ওঠা বন্ধ হয়ে যাবে।
অনেকেই ঔষধ প্রয়োগ নিতী না জানার কারনে ঔষধকে একাধারে চালিয়ে যান, আমি এক ডাক্তার কে দেখলাম সালফার একাধারে ১ মাস খেতে দিলেন, এটা কখনো উচিত নয়। এতে ঔষধজ বৃদ্ধি ঘটে। যে কোন ঔষধ ৪/৫ দিনের বেশি দেয়া উচিত নয়। কোন ঔষধ প্রয়োগের পর ১/২ বার খাওয়ার পর যদি রোগী উপকার বোধ করে , সাথে সাথে ঔষধ বন্ধ করে দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে ৪/৫ দিন ঔষধ কন্টিনিউ করা যাবেন। এ সময় রোগীকে বুঝ দেয়ার জন্য মূল্যবান ঔষধ ফাই্টাম / নাহিলাম ব্যবহার করতে হবে।
বেলা ১১ টার সময় সালফারের রোগীর ক্ষুধা লাগে, তবে সে বেশি খেতে পারেনা । পেট ভরে যায় , এ লক্ষন লাইকোতে ও আছে। পেটে সব সময় খালি বোধ ও জ্বালা বোধ থাকে ।" জ্বালাপোডা ছাড়া সালফার কল্পনাই করা যায়না । রোগীর হাত পা জ্বালা পোড়া থাকে। সালফারের রোগী উঁচু বালিশে শেয়ার অভ্যাস। কপালে হাত রাখিয়া শয়ন পছন্দ করে । এ লক্ষন টি মেডোরিনামে ও আছে।সালফারের ছোট বাচ্চারা সব সময় আঙ্গুল মুখে দেয়. সালফারের রোগী সব সময় নিজেকে সঠিক মনে করে। তাই কেউ তার কথা না শুনলে ঝগড়া করে। সালফারের এই মানুষিকতার কারনে ঝগড়ার পর সে কখনো অনুতপ্ত ও হয় না , মাফ ও চায় না। অন্যদিকে নাক্স এর রোগী পরবর্তীতে অনুতপ্ত হয়ে মাফ চায়। এটা দুই ঔষধ চিনার দারুন একটা মানুষিক লক্ষন। অবশ্য নাক্স এর পর সালফার ভাল খাটে। মার্কসল, মার্ককর, সালফার পায়খানার পর শুল বা পেট বেদনা চলতে থাকে। পার্থক্য হল- সালফারে বেদনা কম। মল ফেনাফেনা ও দুর্গন্ধ যুক্ত, মার্কসলে শূল বেদনার সাথে সাদা বিকার বেশী থাকে, মার্ক করে শুল বেদনা বেশী থাকে, সাদা বিকারের চেয়ে রক্তের পরিমান বেশি থাকে। সালফারের রোগীর দুধ অপছন্দ , হজম হয় না, দুধ হজম হয়না অন্যান্য ঔষধ- নাইট্টিক এসিড, নেট্টাম কার্ব, গ্রাফাইটিস। জিহ্বার অগ্রভাগ লাল থাকে- সালফার, রাসটক্স,পাইরেজেন, টিউবারকুলিনাম।জ্বালা পোড়া ছাড়া সালফার কল্পনা করা যায় না । তার সর্ব শরীরে , জ্বালাপোডা থাকে। রাতে শুইলে মাথা ও পা বিছানার বাহিরে রাখতে হয়। রোগী জ্বালা পোড়ার কারনে শীত কালে ও জানালা খুলে ঘুমাতে চায়। পেশাব করতে গেলে সালফারের রোগীর জ্বালাপোডা করে। এ লক্ষন লাইকো তে ও আছে। তাই অন্যান্য লক্ষন দেখা দরকার। আমি এ সব আলোচনা করতাম না, দেখলাম আপনাদের আলোচনায় কথাগুলো আসেনাই , অথবা আংশিক এসেছে।
Md Jahirul
Sulphur is an extremely important homeopathic remedy. Sulphur has deep action on many systems of the body.
Homeopathic Sulp hur is not the same as sulfa drugs or sulphur caused allergies.
Sulphur is indicated for those who are worse with bathing, dislike bathing. Standing is the worst position for sulphur patients, it is always uncomfortable. Constant heat on top of head. Nightly suffocating attacks, wants doors and windows open.” Cough may be dry or loose and rattling. Great sense of weakness in the chest when talking or reading. A dose of this remedy may clear up the case and secure prompt recovery or pave the way to the more successful employment of other remedies. Cough character – Dry, short, violent. Dry cough, worse nights, at other times loose cough, with rattling and gagging; expectoration greenish lumps, or sometimes blood mixed with pus. when we select right remedy but we does not not get satisfied result.........in that case we should use sulphur in acute case and psorium in chronic case .....Allen key notes. once a week or once in every 2 week, feel headache with depression, weak and feel burning on top of head and feel cold in foot ,,,,,,,,,,,,,,in that case 's' is suitable...............Allen key notes. Sulpher hungry feel korle wait korte pare na specially in day time( compare to zincum ). all potency of s are good but low potency works good in asthmatic patient........Herring
s metal product er side effect cure kore.
Dr. S Zaman Sorkar
সালফারের কিছু অদ্ভুত লক্ষণঃ-- যার যে কোন একটি পেলেই সালফার বিবেচনা করা যেতে পারে । * সালফারের রোগী নোংরা ও অগোছানো প্রৃতির । দেহের বিভিন্ন স্থানের গন্ধ শুকতে থাকে। *ভোরে পায়খানার বেগে ঘুম থেকে ওঠে ভাঙ্গে। * পায়খানার রাস্তায় গড়গড়ানি শব্দ হয়।মলদ্বার ভিজা থাকে। * তিন তালুতে জ্বালা ( হাত- পা ও মাথা ) *অলীক কল্পনা / নিজেকে অনেক বড় মনে করে । * স্বাথপর ও হিয়সুক প্রকৃতির ( এটা ল্যাকেসিস এ ও আছে) * মজার ব্যপার হল গরম ঘরে প্রবেশ করলে মুখমন্ডল হলুদ দেখায়। * আঙ্গুলের মাথায় চাপড়া ওঠে ( নেট্রামেও এমন হয়) . পায়খানার পর মলদ্বার হাজিয়া যায় । এটা ক্যামোমিলাতেও আছে । আবার মহিলাদের Menopause time - এ মাথার তালুতে জ্বালা লক্ষণে সালফার অপেক্ষা ল্যাকেসিস ভাল কাজ করে ।
Dr. Fayek
সালফার আর নেট্রাম সালফের পার্থক্য: সালফারে পায়খানার বেগে ঘুম ভাঙে আর নেট্রাম সালফ ঘুম থেকে উঠে নড়াচড়া করলে তখন পায়খানার বেগ আসে। সালফারকে গ্রেট এন্টিসোরিক বা কিংসোরা হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। অর্থাৎ সোরিক মায়াজমের রাজা। সালফারের রোগীদের দেখা চেনা যায় !!! দেখে চেনা : অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন,কুঁজো ব্যক্তি ,সামনের দিকে ঝুঁকে চলে ,বসলেও ঝুঁকে বসে ,উস্কুখুস্কু চুল ,নখগুলো বড় বড় ,নখকাটেনা ,যেখানে সেখানে থুতু ফেলে,বাচাল ,নিজেকে পন্ডিত মনে করে ,ঠোট লাল ,রক্তবর্ণ ,পেট বড় ,হাত-পা সরু ,হাত-মুখ না ধুয়ে খেতে বসে ,পচাগন্ধ শুকে ,অল্প বয়সে বৃদ্ধের ন্যায় আকৃতি ,জিহ্বার অগ্রভাগ লাল ও ত্রিকোণ লাল ,জিহ্বার সাদা ধারগুলো লাল ,ময়লা জামা পড়ে ,শরীর থেকে বিশ্রি গন্ধ নির্গত হয়।জিহ্বা সাদা। Kleptomania (চুরি করার বাতিক) : Absin,Ars,Art-v,Bell,Bry,Calc,Carb-v,Carc,Caust,Cic,Cur,Gal-Ac,Hyos,Kali-br,Kali-c,Lac-h,Lach,Lyc,Mag-c,Mand,Nat-c,nat-m,Nux v,Op,Oxyt,Phos,Plat,Puls,Sep,Sil,Stap,Stram,Sulph,Syph,Tarent,Thuja,Nat-f. দয়া করে স্থিতিকাল ভুলে যান।প্রতিটি মানুষের ধাত ভিন্ন এবং রোগের অবস্থাও ভিন্ন ভিন্ন।-তাই ঔষধের ক্রিয়াস্থিতিও ভিন্ন ভিন্ন। কানের ভেতরের খৈল বের করে গন্ধ শুকবে ,দেহে চুলকিয়ে ক্লেদ ও ঘাম নাকের কাছে এনে গন্ধ শুকবে ,নখকুনিতে থেকে পূজ নিয়ে গন্ধ শুকতে পারে ,মলদ্বার চুলকিয়ে গন্ধ শুকবে,সালফারের বিশিষ্ট ভদ্রলোক রয়েছেন যাঁরা অন্ডকোষের ক্লেদ নাকে নিয়ে গন্ধ শুকবেন।-মাছিরা যেমন পচা গন্ধ পছন্দ করে ,সালফারের রোগীরাও তেমন পচা গন্ধ শুকতে পছন্দ করে। জ্বালা পোড়া ছাড়া সালফার কল্পনা করা যায় না । তার সর্ব শরীরে , জ্বালাপোডা থাকে। রাতে শুইলে মাথা ও পা বিছানার বাহিরে রাখতে হয়। রোগী জ্বালা পোড়ার কারনে শীত কালে ও জানালা খুলে ঘুমাতে চায়।সুন্দর লক্ষণ।ধন্যবাদ মাসুম ভাই। চুলকানিতে যৌন সুখের মত অনুভূতি কোন ঔষধে আছে বলেনতো ?sulpher. Lyco>>>>Sulp>>>>Cal.Carb. It's trio Medicine. Sulp follows Lyco but Lyco dosen't follows Sulp. সদ্য জন্ম নেওয়া কবিতা।
কবিতা : মনে পড়ে। লিখা : সোরিক পোলা ফায়েক এনাম।
নাইট্রিক এসিডের কথা যখন বলেন ঘোড়ার প্রস্রাবের কথা মনে পড়ে।
লাইকোর কথা যখন বলেন কৃপনের কথা মনে পড়ে।
চায়নার কথা যখন বলেন স্রাবের পর দুর্বলতার কথা মনে পড়ে।
বেলের কথা বলেন লাল ,তাপ ,জ্বালার কথা তখন মনে পড়ে।
ইউভাউর্সির কথা যখন বলেন মূত্র পাথুরির কথা তখন মনে পড়ে।
রাসটক্সের কথা যখন বলেন অস্থিরতা ও রাতে বৃদ্ধির কথা মনে পড়ে।
আর্সেনিকের কথা যখন বলেন ফিটফাট ফুলবাবুর কথা মনে পড়ে।
অরাম মেটের কথা যখন বলেন আত্নহত্যার কথা মনে পড়ে।
ব্রায়োনিয়ার কথা যখন বলেন শুষ্কতার কথা মনে পড়ে।
ইপিকাক আর ককুলাসের কথা যখন বলেন বমির কথা মনে পড়ে।
নেট্রামের কথা বলেন লবণ প্রিয়তার কথা মনে পড়ে।
থুজার কথা যখন বলেন সূচীবায়ুর কথা মনে পড়ে।
ইগ্নেশিয়ার কথা যখন বলেন দীর্ঘশ্বাসের কথা মনে পড়ে।
সালফারের কথা যখন বলেন ভন্ড দার্শনিকের কথা মনে পড়ে।
যখন প্রেম করার কথা বলেন তখন প্রেমে ছ্যাঁকা খাওয়ার কথা মনে।
যখন ছ্যাঁকা খাওয়ার কথা বলেন তখন ন্যাড়া দু'বার বেলতলায় যায়না একথাটা মনে পড়ে। ------উৎসর্গ : Dr. Jahirul Islam স্যারের প্রতি।
Nazir
সালফার (Sulphur) গন্ধক থেকে প্রস্তুত।গ্রামে-গন্জে যা ন্যাপথালিস হিসেবে পরিচিত। সালফার একটি গভীর সোরিক মেডিসিন।এর স্হিতিকাল ৪০/৬০ দিন। চর্মরোগে সালফারকে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে। যেখানে জীবনী শক্তি খুবই দুর্বল সেখানে সালফার উচ্চ শক্তি ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ব।এতে রোগ বৃদ্ধি পেয়ে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। সালফারের মানসিক অবস্হা সন্ধ্যার দিকে খারাপ থাকে।বিষাদিত থাকে,কাঁদে।আর নাক্স তার বিপরীত অর্থাৎ সকালের দিকে খারাপ থাকে।চুলকানীতে সালফার ও সেলিনিয়াম প্রায় সমান।মহাসুখ। তবে সালফারে চুলকানীর পর জ্বালা আর সেলিনিয়ামে ঝিন্ ঝিন্ করে। নাক্স,মার্কসলে,সার্সাতেও আছে।
Monir
সালফারের শিশু,অনবরত ক্ষুধায় কাতর হয়৷ এবং সামনে যা পায় তাই খায়৷যে কোন পীড়ায় খাওয়ার জন্য ঘ্যান ঘ্যান করে৷সব সময়ই মুখে খাবার দিয়ে থাকে৷
Robiul
*ছন্দে ছন্দে সালফার।* নাইতে চায় না,গরমে কাতর,পায়ের জ্বালায় ঠান্ডা খোঁজা,
চুলকে মজা,পরে জ্বালা,সালফার এন্টিসোরিকের রাজা।
নোংরা,রোগা,ভোরে হাগা,লাল ঠোঁট,জিভ,মলদদ্বার,
খিদে কম তেস্টা বেশি,এগারোটায় খিদেয় আঁধার।
ফোটানো ব্যাথা,পায়ের কড়ায় নখকুনি ঘা শুস্ক লিভার,
একই সাথে অনেক ফোড়া একটি সারে ত একটি আর।
হাঁটুর গোছ আড়স্ট,ফোলা, হাঁটুর পিছে টেনে ধরা,
ডিমে,কিংবা পায়ের পাতায় রাত্রিকালে খাল ধরা।
ছেড়েও যদি না ছাড়ে জ্বর আটকে রাখলে সোরা বিষে,
দিওনা যক্ষ্মা বিকশিতে বংশগত সিফিলিসে।
অসুখ সেরে আবার হলে কিংবা কমে আবার বাড়লে,
সঠিক ঔষধ নতুন রোগে ঠিকমতো কাজ না করলে।
সবুজ, সাদা যেকোন রং,থাকে রক্তের ডোনা,
পাছায় হাজা,ফ্যানা,কুন্থন বেগ কমলেই ঘুমিয়ে পড়া।
মুখে পোরে, যা হাতে পায় ঘৃণাহীন, কৃমি দোষ,
নাকে সিকনি,কানে পুঁজ, নোংরা, গন্ধ,হাজা, খোস।
শিশুর পেট বড়, হাত - পা সুরু, বুড়োটে মুখ,চরমো ঢিলে,
ঘুম ভাংলেই খেতে চায়, ছটফটে, দেয় ঢাকা ফেলে।
সেপ্টিক জ্বর প্রসবের পর থেকে থেকে রক্তস্রাব,
মনে কারে, পোয়াতি হলাম ব্রক্ষ্মতালু জ্বালার ভাব।
নতুন কিংবা পুরনো বাত,তাপে কমে, নড়লে বাড়ে,
আংগুল,বাঁ কাঁধ,বাহু,হাত,কোমর পা টানে ছেঁড়ে।
চক্ষু লাল, জ্বলে,চুলকায়,ঘরের বাইরে জল পড়ে,
রোদেরা আলো,সহ্য হয়না কালো ফুটকি,রাত্রে জোড়ে।
চেপে থরা,বেঁধে রাখা,বোঝা চাপা মাথার ব্যাথা,
শুকনো কাশি, স্বরভংগ,বুক দুরবল বলতে কথা।
নিচে দেখলে মাথা ঘোরে খোলা হাওয়ায় চলা ফেরার,
দেয়না ছুঁতে, মাথার চাঁন্দি চুলকায় আর চুল উঠে যায়।
উদ্ভেদ বা হামের জ্বরে উদ্ভেদ করি নিনিস্ক্রমণ,
ফুসফুস,মগজ,প্লুরা,গাঁটে সঞ্চিত রস করি পোষন।
চরমোরোগ বা অরশ চেপে নতুন, পরনো যে রোগই হোক,
বাইরে এনে চরমোরোগটি সারিয়ে দেবেই ভেতরের রোগ। ।।।।।।১ম পরবো।
VVI ক্যান্সার রোগিকে সালফার দেওয়া ঠিক নয়,তাতে বৃদ্ধিই ঘটে। - ডাক্তার এল,বি,হারড।
Dr. Shaheda
সালফার অত্যন্ত অলস,স্বার্থপর,নিজেকে মহা পন্ডিত ভাবে,নিজের দোষ স্বীকার করেনা,জানুক বা না জানুক সকল বিষয়ে তর্ক করতে থাকে,এবং তার কথার সাথে একমত না হলে সে চটে যায়,অত্যন্ত আলস্যপ্রিয়,একটু ও নড়তে চায়না,কিন্তু পরের উপর হুকুম জ্রারি করতে ওস্তাদ,দ্রুত কথা বলে,ছেড়া পোশাক পরেো মনে করে রাজ পোশাক পরেছে,সে চায় সবাই তাকে মহা পন্ডিত, মহা কর্মবীর হিসাবে গন্য করুক,অথচ সে যেমন অলস,তেমনই পরছিদ্রান্বেষী, মাথার তালু,হাতের তালু,পায়ের তলায় উত্তাপ বোধ ও জ্বালা এতো বেশি যে সালফার রোগী মাথা আবৃত রাখিতে পারে না,বরং মাথায় ঠান্ডা বাতাস পছন্দ করে,পায়ে জুতা মোজা রাখিতে পারে না,যদ তাড়াতাড়ি সেটা খুলে ফেলতে পারলেই যেন বেঁচে যায়,শীতকালেও পা লেপের ভিতরে রাখতে পারে না,ছোট ছেলে মেয়েরা প্রায়ই বিছানা ছেড়ে ঠান্ডা ফ্লোরে ঘুমাতে ভালোবাসে, সালফার গরম কাতর,তবে সালফারের একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হলো সে ঠান্ডা পছন্দ করে কিন্তু গোছল পছন্দ করে না,কারণ গোছল করলে তার সমস্যা বেড়ে যায়, আরও একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ লক্ষণ হলো এই রোগীর বেলা ১১ টায় ক্ষুধা লাগে,তখন তাগারা কিছু না খেলে দুর্বলবোধ করে। চর্ম রো গ চাপা দেওয়ার কুফল,টিকা জনিত কুফল,পারদের অপ ব্যাবহারের কুফল দুরিকরনে সালফার কার্যকর। উপযুক্ত ঔষধের ব্যর্থথায় ও সালফার প্রয়োগ করলে ভাল ফল পাওয়া যায়, সালফার এর পর ক্যালকেরিয়া কার্ব ব্যাবহার করা যায় কিন্তু ক্যালকেরিয়ার পর সালফারের লক্ষণ থাকলেও সালফার কোন ভাবেই প্রয়োগ করা যাবেনা।
Dr M F Masum : সালফার এর রোগী চিনার সহজ একটি ইমপর্টিন লক্ষন " যদি কেন রোগী দেখেন যিনি ঠান্ডা পছন্দ করেন , কিন্তু গোছল পছন্দ করেনা" অথচ গরম সহ্য হয়না সে ১০০ % সালফারেরে রোগী । যখন কোন রোগী কে সঠিক ঔষধ দেয়ার পর কাজ করেনা , তাহলে দেখতে হবে এর পিছনে কি কারন রয়েছে ? টিউবারকুলার ও ক্যান্সার মায়াজমের আধিক্য থাকায় অনেক সময় সঠিক ঔষধ কাজ করেনা। রোগী লিপী ও রোগীকে পর্যালোচনার করে কয়েক মাত্রা টিউবারকুলিনামম রা কারসিনোসিন প্রয়োগে সে বাঁধা দুর হয়ে যায়। তারপর আবার সঠিক ঔষধ প্রয়োগে খুব ভাল কাজ করে। আর যখন সঠিক ঔষধ প্রয়োগের পর কাজ না করে , এবং তার পিছনে সঠিক কোন কারন পাওয়া না যায় তখন কয়েক মাত্রা সালফার প্রয়োগে সে বাঁধা দুরহয়ে যাবে। এরপর সঠিক ঔষধ প্রয়োগে ভাল কাজ করে ।এসব কিছু বাহির করার জন্য মায়াজম সম্পর্কে ভাল ধারনা রাখতে হবে।
অনেকেই ঔষধ প্রয়োগনীতি না জানার কারনে ঔষধকে একাধারে চালিয়ে যান, আমি এক ডাক্তার কে দেখলাম সালফার একাধারে ১ মাস খেতে দিলেন, এটা কখনো উচিত নয়। এতে ঔষধজ বৃদ্ধি ঘটে। যে কোন ঔষধ 3/4 দিনের বেশি দেয়া উচিত নয়। কোন ঔষধ প্রয়োগের পর ১/২ বার খাওয়ার পর যদি রোগী উপকার বোধ করে , সাথে সাথে ঔষধ বন্ধ করে দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে ৪/৫ দিন ঔষধ কন্টিনিউ করা যাবেনা । মূল ঔষধ বন্ধ করে এ সময় রোগীকে বুঝ দেয়ার জন্য মূল্যবান ঔষধ ফাই্টাম / নাহিলাম/ লামসাম ব্যবহার করতে হবে।চর্ম রোগ ভাল করা খুব কঠিন , বিশেষত সালফারের রোগীদের চর্মরোগ বার বার ফিরে আসে। এবং সালফার প্রত্যেক বার কমতে থাকে। এক পর্যায়ে চর্মরোগ ওঠা বন্ধ হয়ে যাবে।
অনেকেই ঔষধ প্রয়োগ নিতী না জানার কারনে ঔষধকে একাধারে চালিয়ে যান, আমি এক ডাক্তার কে দেখলাম সালফার একাধারে ১ মাস খেতে দিলেন, এটা কখনো উচিত নয়। এতে ঔষধজ বৃদ্ধি ঘটে। যে কোন ঔষধ ৪/৫ দিনের বেশি দেয়া উচিত নয়। কোন ঔষধ প্রয়োগের পর ১/২ বার খাওয়ার পর যদি রোগী উপকার বোধ করে , সাথে সাথে ঔষধ বন্ধ করে দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে ৪/৫ দিন ঔষধ কন্টিনিউ করা যাবেন। এ সময় রোগীকে বুঝ দেয়ার জন্য মূল্যবান ঔষধ ফাই্টাম / নাহিলাম ব্যবহার করতে হবে।
বেলা ১১ টার সময় সালফারের রোগীর ক্ষুধা লাগে, তবে সে বেশি খেতে পারেনা । পেট ভরে যায় , এ লক্ষন লাইকোতে ও আছে। পেটে সব সময় খালি বোধ ও জ্বালা বোধ থাকে ।" জ্বালাপোডা ছাড়া সালফার কল্পনাই করা যায়না । রোগীর হাত পা জ্বালা পোড়া থাকে। সালফারের রোগী উঁচু বালিশে শেয়ার অভ্যাস। কপালে হাত রাখিয়া শয়ন পছন্দ করে । এ লক্ষন টি মেডোরিনামে ও আছে।সালফারের ছোট বাচ্চারা সব সময় আঙ্গুল মুখে দেয়. সালফারের রোগী সব সময় নিজেকে সঠিক মনে করে। তাই কেউ তার কথা না শুনলে ঝগড়া করে। সালফারের এই মানুষিকতার কারনে ঝগড়ার পর সে কখনো অনুতপ্ত ও হয় না , মাফ ও চায় না। অন্যদিকে নাক্স এর রোগী পরবর্তীতে অনুতপ্ত হয়ে মাফ চায়। এটা দুই ঔষধ চিনার দারুন একটা মানুষিক লক্ষন। অবশ্য নাক্স এর পর সালফার ভাল খাটে। মার্কসল, মার্ককর, সালফার পায়খানার পর শুল বা পেট বেদনা চলতে থাকে। পার্থক্য হল- সালফারে বেদনা কম। মল ফেনাফেনা ও দুর্গন্ধ যুক্ত, মার্কসলে শূল বেদনার সাথে সাদা বিকার বেশী থাকে, মার্ক করে শুল বেদনা বেশী থাকে, সাদা বিকারের চেয়ে রক্তের পরিমান বেশি থাকে। সালফারের রোগীর দুধ অপছন্দ , হজম হয় না, দুধ হজম হয়না অন্যান্য ঔষধ- নাইট্টিক এসিড, নেট্টাম কার্ব, গ্রাফাইটিস। জিহ্বার অগ্রভাগ লাল থাকে- সালফার, রাসটক্স,পাইরেজেন, টিউবারকুলিনাম।জ্বালা পোড়া ছাড়া সালফার কল্পনা করা যায় না । তার সর্ব শরীরে , জ্বালাপোডা থাকে। রাতে শুইলে মাথা ও পা বিছানার বাহিরে রাখতে হয়। রোগী জ্বালা পোড়ার কারনে শীত কালে ও জানালা খুলে ঘুমাতে চায়। পেশাব করতে গেলে সালফারের রোগীর জ্বালাপোডা করে। এ লক্ষন লাইকো তে ও আছে। তাই অন্যান্য লক্ষন দেখা দরকার। আমি এ সব আলোচনা করতাম না, দেখলাম আপনাদের আলোচনায় কথাগুলো আসেনাই , অথবা আংশিক এসেছে।
Md Jahirul
Sulphur is an extremely important homeopathic remedy. Sulphur has deep action on many systems of the body.
Homeopathic Sulp hur is not the same as sulfa drugs or sulphur caused allergies.
Sulphur is indicated for those who are worse with bathing, dislike bathing. Standing is the worst position for sulphur patients, it is always uncomfortable. Constant heat on top of head. Nightly suffocating attacks, wants doors and windows open.” Cough may be dry or loose and rattling. Great sense of weakness in the chest when talking or reading. A dose of this remedy may clear up the case and secure prompt recovery or pave the way to the more successful employment of other remedies. Cough character – Dry, short, violent. Dry cough, worse nights, at other times loose cough, with rattling and gagging; expectoration greenish lumps, or sometimes blood mixed with pus. when we select right remedy but we does not not get satisfied result.........in that case we should use sulphur in acute case and psorium in chronic case .....Allen key notes. once a week or once in every 2 week, feel headache with depression, weak and feel burning on top of head and feel cold in foot ,,,,,,,,,,,,,,in that case 's' is suitable...............Allen key notes. Sulpher hungry feel korle wait korte pare na specially in day time( compare to zincum ). all potency of s are good but low potency works good in asthmatic patient........Herring
s metal product er side effect cure kore.
Dr. S Zaman Sorkar
সালফারের কিছু অদ্ভুত লক্ষণঃ-- যার যে কোন একটি পেলেই সালফার বিবেচনা করা যেতে পারে । * সালফারের রোগী নোংরা ও অগোছানো প্রৃতির । দেহের বিভিন্ন স্থানের গন্ধ শুকতে থাকে। *ভোরে পায়খানার বেগে ঘুম থেকে ওঠে ভাঙ্গে। * পায়খানার রাস্তায় গড়গড়ানি শব্দ হয়।মলদ্বার ভিজা থাকে। * তিন তালুতে জ্বালা ( হাত- পা ও মাথা ) *অলীক কল্পনা / নিজেকে অনেক বড় মনে করে । * স্বাথপর ও হিয়সুক প্রকৃতির ( এটা ল্যাকেসিস এ ও আছে) * মজার ব্যপার হল গরম ঘরে প্রবেশ করলে মুখমন্ডল হলুদ দেখায়। * আঙ্গুলের মাথায় চাপড়া ওঠে ( নেট্রামেও এমন হয়) . পায়খানার পর মলদ্বার হাজিয়া যায় । এটা ক্যামোমিলাতেও আছে । আবার মহিলাদের Menopause time - এ মাথার তালুতে জ্বালা লক্ষণে সালফার অপেক্ষা ল্যাকেসিস ভাল কাজ করে ।
Dr. Fayek
সালফার আর নেট্রাম সালফের পার্থক্য: সালফারে পায়খানার বেগে ঘুম ভাঙে আর নেট্রাম সালফ ঘুম থেকে উঠে নড়াচড়া করলে তখন পায়খানার বেগ আসে। সালফারকে গ্রেট এন্টিসোরিক বা কিংসোরা হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। অর্থাৎ সোরিক মায়াজমের রাজা। সালফারের রোগীদের দেখা চেনা যায় !!! দেখে চেনা : অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন,কুঁজো ব্যক্তি ,সামনের দিকে ঝুঁকে চলে ,বসলেও ঝুঁকে বসে ,উস্কুখুস্কু চুল ,নখগুলো বড় বড় ,নখকাটেনা ,যেখানে সেখানে থুতু ফেলে,বাচাল ,নিজেকে পন্ডিত মনে করে ,ঠোট লাল ,রক্তবর্ণ ,পেট বড় ,হাত-পা সরু ,হাত-মুখ না ধুয়ে খেতে বসে ,পচাগন্ধ শুকে ,অল্প বয়সে বৃদ্ধের ন্যায় আকৃতি ,জিহ্বার অগ্রভাগ লাল ও ত্রিকোণ লাল ,জিহ্বার সাদা ধারগুলো লাল ,ময়লা জামা পড়ে ,শরীর থেকে বিশ্রি গন্ধ নির্গত হয়।জিহ্বা সাদা। Kleptomania (চুরি করার বাতিক) : Absin,Ars,Art-v,Bell,Bry,Calc,Carb-v,Carc,Caust,Cic,Cur,Gal-Ac,Hyos,Kali-br,Kali-c,Lac-h,Lach,Lyc,Mag-c,Mand,Nat-c,nat-m,Nux v,Op,Oxyt,Phos,Plat,Puls,Sep,Sil,Stap,Stram,Sulph,Syph,Tarent,Thuja,Nat-f. দয়া করে স্থিতিকাল ভুলে যান।প্রতিটি মানুষের ধাত ভিন্ন এবং রোগের অবস্থাও ভিন্ন ভিন্ন।-তাই ঔষধের ক্রিয়াস্থিতিও ভিন্ন ভিন্ন। কানের ভেতরের খৈল বের করে গন্ধ শুকবে ,দেহে চুলকিয়ে ক্লেদ ও ঘাম নাকের কাছে এনে গন্ধ শুকবে ,নখকুনিতে থেকে পূজ নিয়ে গন্ধ শুকতে পারে ,মলদ্বার চুলকিয়ে গন্ধ শুকবে,সালফারের বিশিষ্ট ভদ্রলোক রয়েছেন যাঁরা অন্ডকোষের ক্লেদ নাকে নিয়ে গন্ধ শুকবেন।-মাছিরা যেমন পচা গন্ধ পছন্দ করে ,সালফারের রোগীরাও তেমন পচা গন্ধ শুকতে পছন্দ করে। জ্বালা পোড়া ছাড়া সালফার কল্পনা করা যায় না । তার সর্ব শরীরে , জ্বালাপোডা থাকে। রাতে শুইলে মাথা ও পা বিছানার বাহিরে রাখতে হয়। রোগী জ্বালা পোড়ার কারনে শীত কালে ও জানালা খুলে ঘুমাতে চায়।সুন্দর লক্ষণ।ধন্যবাদ মাসুম ভাই। চুলকানিতে যৌন সুখের মত অনুভূতি কোন ঔষধে আছে বলেনতো ?sulpher. Lyco>>>>Sulp>>>>Cal.Carb. It's trio Medicine. Sulp follows Lyco but Lyco dosen't follows Sulp. সদ্য জন্ম নেওয়া কবিতা।
কবিতা : মনে পড়ে। লিখা : সোরিক পোলা ফায়েক এনাম।
নাইট্রিক এসিডের কথা যখন বলেন ঘোড়ার প্রস্রাবের কথা মনে পড়ে।
লাইকোর কথা যখন বলেন কৃপনের কথা মনে পড়ে।
চায়নার কথা যখন বলেন স্রাবের পর দুর্বলতার কথা মনে পড়ে।
বেলের কথা বলেন লাল ,তাপ ,জ্বালার কথা তখন মনে পড়ে।
ইউভাউর্সির কথা যখন বলেন মূত্র পাথুরির কথা তখন মনে পড়ে।
রাসটক্সের কথা যখন বলেন অস্থিরতা ও রাতে বৃদ্ধির কথা মনে পড়ে।
আর্সেনিকের কথা যখন বলেন ফিটফাট ফুলবাবুর কথা মনে পড়ে।
অরাম মেটের কথা যখন বলেন আত্নহত্যার কথা মনে পড়ে।
ব্রায়োনিয়ার কথা যখন বলেন শুষ্কতার কথা মনে পড়ে।
ইপিকাক আর ককুলাসের কথা যখন বলেন বমির কথা মনে পড়ে।
নেট্রামের কথা বলেন লবণ প্রিয়তার কথা মনে পড়ে।
থুজার কথা যখন বলেন সূচীবায়ুর কথা মনে পড়ে।
ইগ্নেশিয়ার কথা যখন বলেন দীর্ঘশ্বাসের কথা মনে পড়ে।
সালফারের কথা যখন বলেন ভন্ড দার্শনিকের কথা মনে পড়ে।
যখন প্রেম করার কথা বলেন তখন প্রেমে ছ্যাঁকা খাওয়ার কথা মনে।
যখন ছ্যাঁকা খাওয়ার কথা বলেন তখন ন্যাড়া দু'বার বেলতলায় যায়না একথাটা মনে পড়ে। ------উৎসর্গ : Dr. Jahirul Islam স্যারের প্রতি।
Nazir
সালফার (Sulphur) গন্ধক থেকে প্রস্তুত।গ্রামে-গন্জে যা ন্যাপথালিস হিসেবে পরিচিত। সালফার একটি গভীর সোরিক মেডিসিন।এর স্হিতিকাল ৪০/৬০ দিন। চর্মরোগে সালফারকে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে। যেখানে জীবনী শক্তি খুবই দুর্বল সেখানে সালফার উচ্চ শক্তি ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ব।এতে রোগ বৃদ্ধি পেয়ে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। সালফারের মানসিক অবস্হা সন্ধ্যার দিকে খারাপ থাকে।বিষাদিত থাকে,কাঁদে।আর নাক্স তার বিপরীত অর্থাৎ সকালের দিকে খারাপ থাকে।চুলকানীতে সালফার ও সেলিনিয়াম প্রায় সমান।মহাসুখ। তবে সালফারে চুলকানীর পর জ্বালা আর সেলিনিয়ামে ঝিন্ ঝিন্ করে। নাক্স,মার্কসলে,সার্সাতেও আছে।
Monir
সালফারের শিশু,অনবরত ক্ষুধায় কাতর হয়৷ এবং সামনে যা পায় তাই খায়৷যে কোন পীড়ায় খাওয়ার জন্য ঘ্যান ঘ্যান করে৷সব সময়ই মুখে খাবার দিয়ে থাকে৷
Robiul
*ছন্দে ছন্দে সালফার।* নাইতে চায় না,গরমে কাতর,পায়ের জ্বালায় ঠান্ডা খোঁজা,
চুলকে মজা,পরে জ্বালা,সালফার এন্টিসোরিকের রাজা।
নোংরা,রোগা,ভোরে হাগা,লাল ঠোঁট,জিভ,মলদদ্বার,
খিদে কম তেস্টা বেশি,এগারোটায় খিদেয় আঁধার।
ফোটানো ব্যাথা,পায়ের কড়ায় নখকুনি ঘা শুস্ক লিভার,
একই সাথে অনেক ফোড়া একটি সারে ত একটি আর।
হাঁটুর গোছ আড়স্ট,ফোলা, হাঁটুর পিছে টেনে ধরা,
ডিমে,কিংবা পায়ের পাতায় রাত্রিকালে খাল ধরা।
ছেড়েও যদি না ছাড়ে জ্বর আটকে রাখলে সোরা বিষে,
দিওনা যক্ষ্মা বিকশিতে বংশগত সিফিলিসে।
অসুখ সেরে আবার হলে কিংবা কমে আবার বাড়লে,
সঠিক ঔষধ নতুন রোগে ঠিকমতো কাজ না করলে।
সবুজ, সাদা যেকোন রং,থাকে রক্তের ডোনা,
পাছায় হাজা,ফ্যানা,কুন্থন বেগ কমলেই ঘুমিয়ে পড়া।
মুখে পোরে, যা হাতে পায় ঘৃণাহীন, কৃমি দোষ,
নাকে সিকনি,কানে পুঁজ, নোংরা, গন্ধ,হাজা, খোস।
শিশুর পেট বড়, হাত - পা সুরু, বুড়োটে মুখ,চরমো ঢিলে,
ঘুম ভাংলেই খেতে চায়, ছটফটে, দেয় ঢাকা ফেলে।
সেপ্টিক জ্বর প্রসবের পর থেকে থেকে রক্তস্রাব,
মনে কারে, পোয়াতি হলাম ব্রক্ষ্মতালু জ্বালার ভাব।
নতুন কিংবা পুরনো বাত,তাপে কমে, নড়লে বাড়ে,
আংগুল,বাঁ কাঁধ,বাহু,হাত,কোমর পা টানে ছেঁড়ে।
চক্ষু লাল, জ্বলে,চুলকায়,ঘরের বাইরে জল পড়ে,
রোদেরা আলো,সহ্য হয়না কালো ফুটকি,রাত্রে জোড়ে।
চেপে থরা,বেঁধে রাখা,বোঝা চাপা মাথার ব্যাথা,
শুকনো কাশি, স্বরভংগ,বুক দুরবল বলতে কথা।
নিচে দেখলে মাথা ঘোরে খোলা হাওয়ায় চলা ফেরার,
দেয়না ছুঁতে, মাথার চাঁন্দি চুলকায় আর চুল উঠে যায়।
উদ্ভেদ বা হামের জ্বরে উদ্ভেদ করি নিনিস্ক্রমণ,
ফুসফুস,মগজ,প্লুরা,গাঁটে সঞ্চিত রস করি পোষন।
চরমোরোগ বা অরশ চেপে নতুন, পরনো যে রোগই হোক,
বাইরে এনে চরমোরোগটি সারিয়ে দেবেই ভেতরের রোগ। ।।।।।।১ম পরবো।
VVI ক্যান্সার রোগিকে সালফার দেওয়া ঠিক নয়,তাতে বৃদ্ধিই ঘটে। - ডাক্তার এল,বি,হারড।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন