শনিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০১৭

মার্কসল

মার্কসল
(২য় ও শেষ পর্ব) আমাদের আলোচনার কোন ভুল পেলে কমেন্টে জানাবেন। আপনাদের লাইক , কমেন্ট , শেয়ার , সংশোধনী আমাদেরকে আলোচনায় আরো অনুপ্রাণীত করবে। কেউ আমাদের সাথে সত:স্ফুর্ত অংশ গ্রহণ করতে চাইলে জানাবেন। ধন্যবাদ।
Dr Muhammad Foizullah Masum
*** মার্কসল ভুল প্রয়োগ করলে রোগীর ক্ষতি হয়, অথচ আমাদের দেশের অধিকাংশ ডাক্তার রা আমাশয়ের কথা শুনলেই মার্কসল দিয়ে বসেন। মার্কসল ঔষধটি পর পর শক্তিতে ব্যবহার না করে, অর্থাৎ ২০০ এর পরে 1M না দিয়ে বরং দুটো পাওয়ারের মাঝখানে আরেকটি অগভীর ক্রিয়াশীল ঔষধ প্রয়োগ করা উচিত। অধিকাংশ ডাক্তার বিষয়টা না জানায় ভুলটা করে থাকেন। শ্রদ্বেয় মহিব্বুর রাহমান স্যারকে ধন্যবাদ তথ্যটি তুলে ধরার জন্য। অনেকে ইংরেজি ভাল বিঝেন না তাই আমি বাংলায় মুল কথাটা বলে দিলাম। আচ্ছা রাতে শুইলে মুখের লালায় বালিশ ভিজায় কোন জনা? (রাসেল-মার্কসল দাদায়, Sree Mithun সিফিলিনামেও আছে দাদা,,,,)
*** আমার সম্মন্ধির মেয়ে হলো আজ ৩ মাস, কিন্তু গত ১১ দিন আগে পেট ব্যাথা, বার বার পায়খানা করা , সারাক্ষণ কান্নাকাটি করে। কান্নার পর একটু পায়খানা করে, কিন্তু কান্না থামেনা। ভাবির বাবা আসলো গ্রাম থেকে নাতনিকে দেখতে। কিন্তু নাতনীর কান্নাদেখে একজন শিশু বিশেষজ্ঞের Appointment নিলেন, আমি হোমিও ঔষধ খাওয়াবে কিনা জিজ্ঞেস করায় বললো এলোপ্যাথিক খাওয়াবে, আমিও তাই কিছু বললাম না। যাই হোক ডাক্তা ৭ দিনের ডোজ সিরাপ ঔষধ দিলেন ২ টি।আহ্হা ঔষধ খাওয়াতে কত কষ্ট। ঔষধ সেবনে বমি ভাল হয়েছে। পায়খানায় ফেনা ভাব নেই। কিন্তু পেটে ব্যাথার সাথে পায়খানা করার অভ্যাস হয়ে গেল। কিন্তু পায়খানায় ফেনা না থাকায় সবাই খুশি রোগী ভালোর পথে। কিন্তু আমি বুঝলাম রোগ চাপাপডে গেছে তাই ব্যাথা যায়নি। যাইহোক ৭ দিন শেষ রোগীর মুখে আগের মত হাসি নেই, মন মরা ভাব, মাঝে মাঝে পেট ব্যাথা করে। যাই হোক ভাবিকে আবার বললাম হোমিও ঔষধ লাগবে কিনা? পেট এখনো ভাল হয়নি তাই পেট ব্যাথা করছে। ভাবি এবার ও বললো আরো ২ দিন দেখি। আমি আবার ও চুপ করে রইলাম। সিদ্ধান্তে নিলাম আর বলবোনা। কারন আমাকে মুল্যায়ন করছেনা বুঝতেছি। এবার পেট ব্যাথা আরো বাডলো, গায়ে কাপড় রাখেনা, মেজাজ খিটখিটে হয়ে গেল। এদিকে বাচ্চার পেট ব্যাথা বাডায় ভাবির মন ভাল নেই। আজ ১১ দিন তার মুখে হাসি নেই , তাই এবার হোমিও খাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। আমিও কিছুটা দুরে দুরে রইলাম। ব্যাস্ততা দেখালাম। ভাবি ৩/৪ বার কল দিলেন, ঔষধের নাম জানতে । আমি এবার রশিকতা করে বললাম- এ্যালোপ্যাথিক ডাক্তারে ৫০০ ভিজিট দিয়েছেন, আমার ভিজিট ছাডা ঔঁষধের নাম বলবোনা। যাই হোক এবার দুলাভাই এর কদর বাডলো। আমার সাথে রশিকতা করতেছে, বুঝলাম ঔষধের নাম জানার জন্য এটা ফন্দি মুলত রশিকতা। যাই হোক ঘরের মানুষ তাই আর কষ্ট দেবোনা ভাবলাম । তাই বললাম হোমিও দোকানে গিয়ে আমারে কল দিতে । সেখানে গিয়ে ফোন দিলেন, আমি ডাক্তার কে বললাম, একফোটা মার্ক সল দিয়ে ৮ টা পুরিয়া বানিয়ে দেয়ার জন্য। ডাক্তার কে বললাম -ঔষধ ভালটা দিয়েছি বলে ৫০ টাকা নেয়ার জন্য। যাই হোক ১ ঘন্টা পর পর ৪ মাত্রা খাওয়ার পর মুখে হাসি দেখা দিল, পেট ব্যাথার কান্না নেই। উন্নতি দেখলে ঔষধ বন্ধ করতে বলার কথা ভুলে গেলাম। তাই সব গুলো খাওয়ানো হল। রোগী একদিনেই সুস্থ। পেট ব্যাথা নেই, খেলাধুলা করতেছে।
Dr. Saiful Islam
মার্ক জাতীয় সকল ঔষধের ব্যবহার এর ক্ষেত্রে বিশেষ সর্তকতা থাকা উচিত অন্যথায় রোগী মারাত্নক ভাবে ক্ষতি গ্রস্হ হয়।
Dr. Arjun Chandra Das
সাইলিসিয়ার আগে ও পরে দেওয়া নিষধ।
এ্যান্টি সোরিক, এ্যান্টি সাইকোসিস, এ্যান্টি সিফিলিটিক।
ঠান্ডা গরম দুইটায় অসহ্য।
(কিন্তুু শীত কাতর)
রাত্রে বৃদ্ধি, শয্যার উত্তাপে বৃদ্ধি, ঘামে বৃদ্ধি।
রক্তহীনতা সহ হাত, পা, মুখ ফুলে উঠে, শোথ।
এর আক্রমণ রাত্রেয় বৃদ্ধি পায়।শয্যার উত্তাপে বৃদ্ধি পায় এবং ঘুমে উপশমের পরিবর্ত্তনে বৃদ্ধি।
এই বৃদ্ধি লক্ষণ পেলে যে কোন রোগে মার্কসলের কথা চিন্তা করা যেতে পারে।
জিহ্বা রসাল তারপরও খুব জলের পিপাসা।জিহ্বা ফোলা এবং দাঁতের দাগ। (জিহ্বা শুষ্ক তারপরও রোগীর পিপাসা নেই- পালস)
-------------------------------------------------
সাদা আম বাহ্যে কভু চর্বির মতন,
রক্তছিটা ফেনামল সবুজ বরণ।
ঘন ঘন বাহ্য যায় রাত্রে বেশী হয়,
কোঁথানী শূলানী ব্যথা বাহ্যের সময়।
শুলাইতে থাকে অতি মলত্যাগ পরে,
আশ্চর্য্য মতন ফল মার্কসলে করে।
মার্ককরও আমাশাশয়ে পরম ঔষধি,
ঘন ঘন ডাহারক্ত বাহ্যের হয় যদি।
কোঁথানী শূলানী ব্যথা মার্কসল প্রায়,
মার্কসল চেয়ে মলে বেশী রক্ত রয়।
দাঁতের ছাপ, জিভে লালা, দুর্গন্ধ ঘাম, গন্ধ মুখে,
খুব কোঁথানী, আমাশয়ে মার্ক সলে শিরশির থাকে।
যে কোন স্রাব প্রদর, প্রমেহ পাতলা, হাজাকারক আগে,
আরো যদি ফোঁটা ফোঁটা ভাবে মূত্রক্ষরে,
মূত্রত্যাগকালে অতি জ্বালা পোড়া করে।
সেইসঙ্গে মলমূত্র সতত কুন্থন,
মার্ককরে পাবে ফল মন্ত্রের মতন।
নাক্সেও ঘন ঘন বাহ্যে যেতে চায়,
পেট ব্যথা করলেই বাহ্যে বেগ পায়।
কখন নিষ্ফল বেগ কেবল কুন্থন,
নাক্সে বাহ্যে পরে শান্তি যাতনা বেদন।
মার্কসলে আগে পরে সমভাবে রয়,
তরল ভেদেও বেশ উপকার হয়।
*** হ্যাঁ ডান পাশ্বে শুইলে বৃদ্ধি। মাকসলের রোগী।
তবে ল্যাক ক্যানে ঋতুকালে গলা ব্যাথা আর কেলি কার্বে পিঠে ব্যথা ।
সকল প্রকার ক্ষতরোগে বিশেষত উপদংশ ক্ষতে মার্ক সল প্রধান ।কোমল ক্ষতে (সপ্টস্যাংকারে)ম্রর্ক সল ।আর কঠিন ক্ষতে হার্ডস্যাংকারে মার্ক আইওড অধিকতর ফলপ্রদ । উপদংশে নাই এসিডের সংগে মার্কের তুলনা করা আবশ্যক।
Dr. Mohibbur Rahman
Dr samsuddoha,mercury is one dangerous chemicals for not only human body or any kinds of animals also environments,but in ancient times it's one of the great remedy for syphilis,all kinds of pathy used its crude,only exception is homoeopathy,homoeopathy used its potentised medicine,its called invisible power/potency,but for human bodies it's not fully safe,some side/bad effect are continued,for this be care full from any kinds of mercury.If a patients is sulphur,you can uses sulphur 30 to cm,at after duration no need any medicine in midway/intervals,but if patients is merc groups,no chances of continued 30 to cm,obviously needed some some similar midway medicine in merc groups,like as merc sol 30, after 20 days merc sol 200,next not merc sol 1m,next any similiar midway medicine and next merc sol 1m.
Sabbir Khan
Dr. Atiur Rahman (kobi Bacchu)
মার্কসলে রাতে বৃদ্ধি অতিশয় কুন্থন , জিহ্বার স্ফীতি ,ঋতুকালে স্তন ব্যথা, উপদংশ,বিদাহীস্রাব ।
এ ক'টি লক্ষন কবিতায়,
কবি বাচ্চুর মেটিরিয়া মেডিকা কাব্য হতে সংকলিত -
"মার্ক সল" ।!
শয্যার তাপে অতিশয্য, বৃদ্ধি রাত্রিকালে,
সর্বরোগে ঘর্ম তাতে শান্তি না মেলে ।
কুন্থন যুক্ত, রুধিরাক্ত, শেওলা শেওলা মল,
ঋতুকালে স্তন ব্যথা অতীব প্রবল ।
জিহ্বাস্ফীত, ক্ষত যুক্ত, দন্ত চিহ্ন তায়,
অতিরিক্ত লালাস্রাবে বালিশ ভিজে যায় ।
উপদংশ দোষে দেহ হলে জর্জ্জরিত,
স্ত্রী-পুরুষের নাক মুখে, জননাঙ্গে ক্ষত,
পুজস্রাবী অস্রাবী বা গ্রন্থির প্রদাহ,
কবি বাচ্চু বলে, এসব লক্ষন পেলে,
*** ১।মার্কের প্রথান একটি লক্ষন রাত্রিকালে /সয্যার উত্তাপে বৃদ্ধি, এলক্ষন লিডাম ও, আর্সেও ইহার সমগুন ।প্রভেদ কি কি কেহ আলোচনা করবেন কি?
২।কুন্থনে ।অতিশয় কুন্থন সহ শেওলা শেওলা রক্তাক্ত আম যুক্ত মল নিঃসরন মার্কের একটি বিশিষ্ট লক্ষন ।এলক্ষনে মার্ক কর ইহার ঘনিষ্ট সমলক্ষন। আবার নাক্স ও পডো তে এ লক্ষনের মিল পাওয়া যায় ।ইহাদের প্রভেদ কিভাবে নিরুন করা হয়?
৩।মুখের ঘা এ বোরাক্সের সংগে তুলনা হয় ।
*** ঋতুকালে স্তন ব্যাথা রোগী মনে করে তার স্তনে ক্ষত হবে মার্কে।
ঋতূকালে স্তনে ব্যথা, কাঠিন্য ও স্ফীতি কোনিয়ামের ও লক্ষন।
এই লক্ষন ল্যক ক্যন ও ক্যলিকার্বে ও আছে আছে ।
তবে ল্যাক ক্যানে ঋতুকালে গলা ব্যাথা আর কেলি কার্বে পিঠে ব্যথা ।
সকল প্রকার ক্ষতরোগে বিশেষত উপদংশ ক্ষতে মার্ক সল প্রধান ।কোমল ক্ষতে (সপ্টস্যাংকারে)ম্রর্ক সল ।আর কঠিন ক্ষতে হার্ডস্যাংকারে মার্ক আইওড অধিকতর ফলপ্রদ । উপদংশে নাই এসিডের সংগে মার্কের তুলনা করা আবশ্যক।
*** মার্ক সলের মন লক্ষন ।
কাল্পনিক ভয়, মনে করে মাথা বড় হচ্ছে, মাথা খারাপ হবে ।
মন খুব খারাপ হয়, সন্ধায় ও রাতে, বাইরে যেতে চায় পালাতে চায়,
এদিকে গৃহকাতরতা ও কম নয়।দ্রত কথা বলা, অবিরাম গোঙানি,
বোকার মত বিরক্তিকর কার্যকলাপ, উত্তেজিত ঝগরাটে স্বভাব।
*** মারকিউরাসের সমগুন - আইও, আর্স, পডো, ফাইটো ।
***বিষমগুন-অরম, নাই এ, সালফ. এমো কা, বেল, কর্বো ভে, চায়না, ডাল, হিপা, ক্যালি আ, ওপি ,সার্সা, ষ্টাফি ,থুজা , ষ্ট্রামো ,সিপি ,সাইলি ।
অনুপুরক -ব্যাডিয়েগা ।
পশ্চাদোপযোগী ঔষধ -কার্বো ভেজ, আইও, হিপা, লাইকো, নাই এ, পালস, থুজা, চায়না, ফসফরাস, সালফ, সিপি, বেল রাস।
DrMd Aslam
লিভারের সমস্যায় (CLD, Chrn Chirrh.) রোগী কোনক্রমেই ডানপার্শ্বে শুইতে পারে নাI On the organic substance, Mercury works eminent destruction in every tissue. The skin is the seat of destructive ulceration, so is the mucous membrane, so are the lymphatic glands, so are the bones, especially the alveoli. The periosteum is likewise destructively affected. Even newly organized deposits, the result of disease, are unquestionably absorbed and removed by Mercury. -Sir Dunhum
রোগীলিপি ১:
চেম্বারে আসলেন, বয়স ৩৪+, উনি আাসাতেই আমার নাকের বারোটা বাজতেছিল (গন্ধের কারনে), বললাম কেমন আছেন? শুরু হলো। বাট ইনটেনশন কখন বেটাকে বের করব।ওনার বলা শেষ বললাম, পানির পিপাসা কেমন? উত্তর: মুখে লালা ফেলতে ফেলতে পানির প্রচন্ড পিপাসা। মেডিসিন দেয়া হলো। ১ এম, সিঙ্গেল ডোজ, + ১ মাসের স্যাকল্যাক।
আরেকটি মেডিসিন (cheperro am) লিখে দিলাম, এ ওষুধ খাওয়ার পর না কমলে এটা কিনে ১০ দিন খেয়ে দেখা করবেন।রোগী অনেকদিন পর হাজির হয়েছিলেন অন্য রোগী নিয়ে।তখন আর দূর্গন্ধ পাইনি। অন্য রোগীটা ছিল ওয়াইফ
Dr. Zakir Hossain
MURCURIUS. SOLUBILIS HAHNEMANNI
=================================
★MERCURIUS is the main remedy for glossitis and seldom fails to cure.
★Rarely give MERCURIUS if the tongue is dry.
★MERC. prevents the further spread of the suppurative process.
★Amoebiasis caused due to E. coli
★Ascarides creep out of anus and can be seen on the perineum and buttocks, even at night, in bed
★Anaemia, oedema of hands, feet, face with
★Hepatitis B
★Infarction of heart
Sabbir Khan
'Imagines that he is a criminal'
'Amelioration by coitus'
CON, merc, Staph
'Bloody nocturnal emissions'
MERC is the only remedy
'Milk in breast instead of menses' (Mohibbur Rahman: - milk in breasts, also asafoetida and pulsatilla. Ameloioration by coitus, also, lachesis and zincum groups.)
Merc ' quantity of urine voided is larger than the amount of water drunk'
aur, Merc, Raph
'Crowns of tooth decay root remains' merc, Staph
it will be aggravation by any kind of discharge except semen.
intra-muscle e abscess hole to blast kora risky.
then which medicines can be suggested? (Mohibbur Rahman: - If no clear symptoms, for ingrowiing nails, magnetis pollas australis is best of the best medicine. Then with symptoms calc carb is best of the best, if patien is not calc carb then calcarea sulph is better, Dr sabbir, heper and silicia are harmful, don't used heper and silicia.
Dr. Mizanur Rahman Bijoy
প্রতিরক্ষা ক্ষমতা কমে যাওয়ার জন্য মার্কসলের রোগী সব কিছুতেই অনুভূতিশীল হয়ে পড়ে। সব রোগীর রোগ লক্ষণ সব কিছুতেই বাড়ায়- তাপ,ঠান্ডা,বাইরের পরিবেশ,ভিজে আবহাওয়া, আবহাওয়ার পরির্বতন, বিছানার গরমে,ঘাম,বেড়িয়ে বেগানো,বিভিন্ন ধরনের খাবার -অন্য দিকে খুব অল্প কিছৃতেই কমে - খুব কম জিনিসই রোগী নিতে পারে যাতে আরামদায়ক হয়,রোগী সবকিছুই সহ্য করার ক্ষমতা অত্যন্ত কম আছে-; এই ধরনের রোগী অত্যন্ত অল্প দূর থেকো আসা তাপে আরাম অনুভব করে অথচ হাল্কা কাপ বা হাল্কা ঠান্ডায় অস্বস্তি অনুভব করে। তাপ ও ঠান্ডায় বৃদ্ধি যা মার্কসলের চরিত্রগত বৈশিষ্ট। ডাঃ কেন্ট বলেছেন - জীবন্ত তাপমাপা যন্ত- এক সময় সে ঠান্ডায় কষ্ট পায় আবার গরম চাই কিন্তু একবার গরম হয়ে গেলে আবার গরমে রোগ লক্ষণ বৃদ্ধি পায়-সকল ক্ষেত্রে - রোগীর মন কষ্ট পেয়ে ভিতরে ও বাইরে উত্তেজিত হয় তার মন কে সঠিক ভাবে কোন্দ্রীভূত করতে পারে না, প্রতিটি বিক্ষিপ্ত চিন্তা ভাবনা যা মনে আসে,এমন কিছু হয়ে ওঠে রোগী যার প্রতি সাড়া দেওয়ার দরকার অনুভূব করে না -রোগ লক্ষণ বেরে গেলে এটি আরো চরম পর্যায়ে যায়, রোগী সহ্য করার মত সব উত্তেজনাকেই গ্রহন করে, সামান্য কষ্ট পাওয়ার কারনে উত্তেজনা অনুভব করে ও সামন্য অন্যায় অন্যকে মেরে ফেলতে চাই -রোগী মূলত বুদ্ধিহীন/ নির্বোধ নয় কিন্তু সে অনুভব করতে পারে যে সে বুদ্ধিহীন/ নির্বোধ হয়ে যাচ্ছে ও পাগলামির ভয় আসে - রাতের দিকে। ত্বক শ্লৈষ্মিক ঝিল্লিতেএ্যাফ্থি হয় যা মুখের ভিতরে ছরিয়ে পরে এমন ঘা, যা নিয়ন্ত্রণ বা নিরাময় করতে পারে না যা আর দেহের আর স্থানে ছরিয়ে পরে।যখন পুজ হয় তা নিরাময়ের যথেষ্ট শক্তি থাকে না,এটি মাড়ির অবনতির বড় প্রমান, মাড়ি ভেঙে দাত নড়ে গিয়ে পুজের গর্ত সৃষ্টু হয় তা অত্যন্ত দুর্গন্ধ বেরোয়। লালা ঝরে - রাতে দিনে যে কোনো সময় লালা ঝরতে পারে - রাতে বাড়ে বেশি- মস্তিক,মেরুদন্ড ও স্নায়াবিক শৈলীর চারপাশে আঘাত করে, কাপুনি সৃষ্টি করে যা হাতে দেখা দেয় - প্রতিরক্ষা মুলক দুর্বলতা ও কাজকর্মে সব সময় অস্থিরতা-তার হাতে এক পাত্র পানিও পাত্রের কোনা দিয়ে গড়িয়ে না ফেলে ধরতে পারে না,তার কনুই বা বগলের শক্তি ব্যবহার করে না - যা কাপুনি মার্কসলের চিত্র - তাপ নিয়ন্ত্রণ শৈলী কাপুনি পিছনে ও সামন্য তাপ ও ঠান্ডায়- সব সময় অদক্ষতা দিয়ে ক্ষতি পূরনের চেষ্টা করতে থাকে - আগে পিছনে হাত কাপে, যা স্বাভাবিক কাজ করার অদক্ষতার উদ্যোগ- কাপুনি এজন্যই -- এটাই পরিচয় মার্কিউরিয়াস সলিবিউলাস ( মার্কসল)
*** যদি এমন হয়, আপনি বা আপনারা মাছ খেতে গিয়ে মাছের কাটা গলায় আটকে গেল, তখন করবেন, চিন্তার কারন নেই, এর জন্য চিকিৎসা আছে হোমিওপ্যাথি।
ঔষধ- ১, হিপার সালফার ২০০বা এম/২
২, সাইলেশিয়া -২০০ বা এম/২
৩/ এ্যানাগেলিস-২০০ বা এম/২
৪/ লিডাম -২০০ বা এম/২
৫/ হাইপিকাম-২০০ বা এম/২
৬/ কষ্টিকাম-২০০ বা এম/২
৭/ নাইট্রিক এসিড-২০০ বা এম/২ শক্তি এক ফোটা বা একডোজ
খেলে ২-১০মিনিটের মধ্যে মাছের কাটা গলা থেকে চলে যাবে (শরীরের অন্যান্য স্থানে) হলে এর
মধ্যে সাইলেশিয়া ও এ্যানাগেলিস ঔষধ বেশি ব্যবহার করা হয়। Symptoms অনুসারে ঔষধ নির্বাচন করতে হবে।
Dr. Ashraful Alam
স্খলিত বীর্য ও স্বপ্নদোষ রক্তের দাগ--Merc, Ledum, Sarsaperi
#মার্কুরিয়াসে বহুল ঘর্ম, কিন্তু ঘর্মে উপশম দেখা যায় না, বরং রোগ লক্ষণের বৃদ্ধি (ঘর্মে রোগ লক্ষণের উপশম--Natrum, psorin, virertrum)
Dr. Nazir Ahmed
ঘাম সর্বাঙ্গে সমান।ঘামে আসটে গন্ধ থাকে।রোগীর গা থেকেও একপ্রকার গন্ধ বেরোয়।ঘামসহ সকল স্রাবে এক প্রকার ক্ষতকারী প্রভাব থাকে।হেজে যাওয়া লক্ষণে আর্স ও নাইট্রিক এসিড ছেয়ে মার্কারি এগিয়ে। মার্ক সলের জিহ্বা: -জিহ্বা মোটা থলথলে। যথেষ্ট রসালো ও ক্লেদাক্ত। মুখে দুর্গন্ধ। সরস জিহ্বা তদুপরি যথেষ্ট পিপাসা। দাঁতের দাগযুক্ত।
মার্ক সল ও সাইলেসিয়া পরস্পর বিরোধী।একটির আগে পরে অপরটির ব্যবহার প্রায়শই বিপদজনক হতে পাবে।এখন কথা হলো, যদি মার্ক ব্যবহারের পর সাইলেসিয়া অথবা সাইলেসিয়ার পর মার্কের লক্ষণ উপস্হিত হয় তখন কি করিতে হবে? (ডাঃ সৈয়দ প্রশ্নই ওঠে না | লক্ষণ আসলে অবশ্যই ব্যাবহার করা যাবে |
Dr nazir-অথচ রাধা রমন বলে ভিন্ন কথা।যদি মার্ক অথবা সাইলেসিয়ার পর বিপরীতধর্মী কোনটার লক্ষণ আসে তখন সালফার, হিপার নাক্স অথবা মোটামোটি লক্ষণ সাদৃশ্য কোন ঔষধ দু'এক মাত্রা ব্যবহার করে তারপর মার্ক অথবা সাইলেসিয়া ব্যবহার করতে হবে- রাধারমণ।
*** চার বছর আগের কথা।আমি সাব্বির ভাইয়ার চেম্বারে ঔষধ তৈরি করতে ব্যস্ত ছিলাম।এমন সময় এক ব্যক্তি ৫ বছরের একটি ছেলেকে কোলে নিয়ে হাজির।ছেলেটি খুবই দুর্বল।বাবার কাদে মাথা ছেড়ে দিয়ে নিথর দেহে শুয়ে আছে।বাবার চোখে-মুখে আতংকের চাপ।
রোগীর করুণ অবস্থা দেখে অন্যান্য রোগী দেখা বন্ধ করে সাব্বির ভাইয়া সেই বাচ্ছার কাছে যান।রোগীর বাবা ডাঃ সাহেবের হাত চেপে ধরে ভেঁজা কন্ঠ ছলছল চোখ নিয়ে বলে, ডাঃ সাব, অনেক দুর থেকে এসেছি আপনার নাম শুনে।এত দিন উসমানী মেডিকেলে চিকিৎসা করাইছি, অনেক টাকা করচা করেছি কোন ফল নাই।দিন দিন অবনতি হইছে।এখন ডাক্তাররা বলতাছে ছেলেক বাঁচাইতে হইলে নাকি গলা কেটে নল ঢোকাতে হবে....!
সাব্বির ভাইয়া রোগীর বাবাকে শান্তনা দিয়ে বলে রোগীর কি সমস্যা বলেন।
রোগীর বাবা বলতে শুরু করে....
রোগীর বাবা বলতে শুরু করে" ১৫/১৬ দিন ধরে বাচ্ছা কিছু খায় না।গলায় ব্যথা করে।মুখ থেকে প্রচুর লালা ঝরে( আমিও দেখেছি বাচ্ছার বাবার কাদের যেখানটায় বাচ্ছার মুখ ছিল সেখানে অনেকটা জায়গা ভিঁজে গিয়ে ছিল।)।রাতে ছেলেটা অস্তির হয়ে যায়।বিছানা ছেড়ে উঠে পড়ে।জোর করে খাওয়ালে সামান্য তরল খাবার ছাড়া কিছুই খেতে পারে না।মুখে খুবই দুর্গ্ধ।এই অবস্থা দেখে গ্রামের ডাঃ কাছে নিয়ে গেলে সে বড় ডাক্তারের কাছে যাইতে কয়।আমি সাথে সাথে সিলেট উসমানী মেডিকেলে নিয়ে গেলে সেখানকার ডাঃ ভর্তি করতে বলে।তারপর থেকে পর্যন্ত সেখানেই ছিল।তারপর ডাঃ রা বাচ্ছার অবনতি দেখে বলে গলায় নল দেয়ার কথা বলে।এরমধ্যে আরেক জনের মাধ্যমে আপন খবর জানতে পারি।তাই আজ আপনার কাছে নিয়ে আসি।সাব্বির ভাইয়া বাচ্ছাকে অনেক চেষ্টা করে হা করালেন।মুখের ভেতর জিহ্বা-গলাসহ সাদা হলদে গাঢ় ময়লা ও ঘা।দারুণ দুর্গ্ধ।ভাইয়া দোখান থেকে জুস অনিয়ে অনেক চেষ্টা করেও কিছুই খাওয়াতে পারে নি।ভাইয়া বাচ্ছার কাছে কিছুক্ষণ বসে থেকে আমাকে আদেশ করে ৬ ডোজ মার্কমল ২০০ বানানোর জন্য।সাথে হাফ আউন্স ফাইটম।আমার ঔষধ প্রস্তুত করা হলে ভাইয়া রোগীর বাবাকে ঔষধ বুঝিয়ে দিয়ে তিনদিন পর আসার কথা বলে দেন।
3 দিন পর রোগীকে নিয়ে আসে তার বাবা।মাশাআল্লাহ! রোগী অনেকটাই সুস্থ। সাব্বির ভাই আবার নতুন করে কেসটুকিং ঔষধ দেন বোরাক্স ৩০।৫ দিন পর দেখা করতে বলে।একে একে পাঁচ দিন চলে যায়।আবার আসে রোগীকে নিয়ে তার বাবা।আলহামদুলিল্লাহ,এবার রোগী পুরাই সুস্থ। যেখানে ১৬ দিন হাসপাতালে বড় বড় ডাক্তারের থেকেও রোগীর উন্নতি তো দুরের কথা আরো অবনতি হচ্ছিলো,রোগীর গলাকাটার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছিলো সেখানে মাত্র কয়েক টাকার হোমিওপ্যাথিক পানি পড়া খেয়ে এমন জঠিল রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয় তদুপরি হোমিওপ্যাথিক ডাক্তাররা বড় ডাক্তার হয় না ও হোমিওপ্যাথি বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা পদ্ধতির স্বীকৃতি পায় না! বড়ই আফসোস
Dr.Towhidul Islam
Remady of Merc Sol
মার্কসলের মর্মবাণীঃ-
***গরম- ঠান্ডা কোনটাই সহ্য হয় না।
***রাতে ও বিছানার গরমে বৃদ্ধি।
***অনবরত ঘাম হয়, কিন্তু-ঘামে রোগের উপশম হয় না, বরং বৃদ্ধি হয়।
***জিহ্বা সরস, কিন্তু-প্রচুর পিপাসা।
***প্রদাহিত অঙ্গ টান্ডা।
★*★মার্কসলকে প্রাকৃতিক ব্যারোমিটার বলা হয় কেন?
***মার্কসলকে প্রাকৃতিক ব্যারোমিটার বলা হয়।কারণ, মার্কসলের উৎস পারদ বা মার্কারী। ইহা তাপমাত্রা নির্দেশক যন্ত্র থার্মোমিটারে ব্যবহৃত হয়, কারণ অপমাত্রায় সামান্য পরিবর্তন দ্রুত নির্দেশ করে।প্রাকৃতিক এই গুনের সদৃশ্য লক্ষন মার্কসল দেহেও প্রকাশ করে।যেমন-মার্কসলের রোগীর আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন সহ্য হয় না, তাই -অতিরিক্ত টান্ডা ও গরমে রোগের বৃদ্ধি পায়।তাই মার্কসলকে প্রাকৃতিক ব্যারোমিটার বলা হয়।
★*★ জ্বরে মার্কসলের বিশেষত্ব।
***জ্বরে মার্কসলের বিশেষতঃ হল প্রচুর ঘাম হয়, কিন্তু-তাতে রোগের উপশম না হয়ে, বৃদ্ধি হয়।
★*★মার্কসলকে সিফিলিসের রাজা বলা হয় কেন?
***মার্কসল একটি অন্যতম প্রধান এন্টিসিফিলিটিক ঔষধ। সিফিলস রোগ দ্বারা যে সকল লক্ষন প্রকাশিত হয় তার অধিকাংশ মার্কসলে বিদ্যমান, যেমন-রাএে বৃদ্ধি, গ্ল্যান্ড ও লসিকাগ্রন্তুি অাক্রান্ত হয়, ডান দিকে রোগের লক্ষন প্রকাশিত হয়, স্রাব দুর্গন্ধযুক্ত, মুখ হতে লাড় স্রাব, অস্থি বেদনা, ইত্যাদি মার্কসলে বিদ্যমান বলিয়া ইহাকে সিফিলিসের রাজা বলা হয়।
★*★মার্কসলকে ঠান্ডা ফোড়ার ঔষধ বলা হয় কেন?
***মার্কসরে ফোড়ায় জ্বালা ও ব্যথা থাকে না, উত্তাপ থাকে না তাই ঠান্ডা ফোড়ার ঔষধ বলা হয়।
মার্কসলের ভুল প্রয়োগে চিকিৎসকের কর্তব্য কি?
***মার্কসলের ভুল প্রয়োগ হলে প্রথমে দেখিতে হইবে দেহে কোন মারাত্নক প্রতিক্রিয়া সৃস্টি হয়েছে কিনা।যদি লক্ষনসমূহ ধ্বংসাত্নক না হয় বা রোগীর কস্ট অতিরিক্ত না হয় তাহলে কোন ঔষধ না দিয়ে অপেক্ষা করিলে কয়েক দিন পর ঔষধের ক্রিয়া নস্ট হয়ে যাবে।
তা না হলে বর্তমান লক্ষন ভেদে মার্কসলের ক্রিয়ানাশক -নাইট্রিক এসিড, থুজা, হিপার সালফ প্রয়োগ করতে হবে।
**প্রশ্নের উত্তর খুব ধীরে দেয়।স্মৃতিশক্তি দুর্বল, এবং ইচ্চে শক্তি কমে যায়।জীবনে বিতৃষ্ণা। কাউকে বিশ্বাস করে না।তার মনে হয় সে যেন নিজের বুদ্ধি হারিয়ে ফেলেছে।
Dr. Mohasina Begum
সম্মানিত স্যারদের কাছে আমার দুইটা প্রশ্ন।
১, শিশুদের কোন ধরনের মুখের ক্ষতে মার্ক সল ব্যবহার হয়?
২, আঘাতজনিত ফোলা কমাতে মার্কসল ব্যবহার করা যায় কী?
Dr. Abdus Salam (Greenlife Homoeohall)
ফোড়ার জন্য মাইরিষ্টিকা ঔষধটি আমরা বেশী ব্যবহার করি।
কিন্তু আজ ফোড়ায় মার্কসলের ব্যবহার এবং অন্য তিনটি ঔষধের সাথে পার্থক্য আলোচনা করছি।
প্রদাহের প্রথম অবস্থায় যখন পুঁজ না জমে, দপদপানি ব্যাথা এবং জ্বালা থাকে, উজ্জল লালবর্ন সাথে জ্বর থাকে তখন বেলেডোনা প্রয়োগ করি।
ফোড়া উপযুক্ত হওয়ার আগে মার্কসল প্রয়োগে ফোড়া পাকে এবং ফাটে।
সাইলিসিয়া এবং হিপারসালফার ও ফোড়া ফাটানোর ওস্তাদ।
তবে টিকার পরে ফোড়া বা ফোড়া ক্রমে নালী ঘায়ে পরিণত হওয়ার উপক্রম হলে সাইলিসিয়াই সেষ্ট।মার্কসল এবং হিপারসালফারের মত সাইলিসিয়ার সর্বাঙ্গে ঘাম হয়না শুধুমাত্র হাত পা এর তালুতে এবং মাথায় ঘাম হয়।
মার্কসলের ফোড়া স্পর্শ করিলে শীতল কিন্তু হিপারসালফার ও সাইলিসিয়ার ফোড়া গরম অনুভুত হয়।
মার্কসলের এবং সাইলিসিয়ার ফোড়ায় সুচীবিদ্ধবৎ ব্যাথা থাকে কিন্তু স্পর্শকাতর নয় কিন্তু হিপারসালফারের ফোড়া অত্যন্ত স্পর্শকাতর।
মার্কারী বা পারদ আমরা উষ্নতা পরিমাপের জন্য থার্মোমিটারে ব্যবহার করে থাকি।মার্কসলের ধাতুও তাই উত্তাপে ও ঠান্ডায় অনুভুতিবিশিষ্ট থাকে।
শয্যার উত্তাপে খারাপ বোধ করে তাই সে গায়ের পোশাক খুলে ফেলতে বাধ্য হয়, শীতল হওয়ার পরে ঠান্ডায় আবার সে খারাপ বোধ করে। জ্বর, ক্ষত, বেদনা সকল রোগেই এই ধাতুগত লক্ষন বর্তমান থাকে।
মার্কসল দুগন্ধযুক্ত রোগী আমরা সবাই জানি, শ্বাস- প্রশ্বাস, ঘাম, মল, মুত্র, নাকে, মুখে লালায়, রোগী যে ঘরে থাকে সেই ঘরে প্রবেশ করিলেই সেই পারদের গন্ধের মত সামান্য মিষ্টি আর তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধ পাওয়া যায়। মার্কারীর গন্ধ কেমন জানতে চাইলে মার্কসলের রোগীর লালাস্রাব শুকতে হবে । আজীবন মনে থাকবে মার্কসলের দুর্গন্ধ।
জ্বর অথবা কর্নস্রাব চাপা পড়ে যে কোন পীড়া দেখাদিলে মার্কসলে সেই শিশুকে আরগ্য দিবে।
বোরাক্স, আয়োডাম ইত্যাদি ঔষধদ্বারা কর্নস্রাব চাপা দেওয়ার ফলে বর্তমানে প্রথমে স্বল্পবিরাম জ্বর পরে টাইফয়েড সদৃশ্য জ্বর, এইরুপ অবস্হা পাঁচ/ ছয় সপ্তাহ চলতে থাকলে এক মাত্রা মার্কসল দিলে কর্নস্রাবটি আবার ফিরে আসবে এবং রোগী আরগ্য হবে।
ডাঃ কেন্ট বলেন- যে সকল পুরাতন সিফিলিসগ্রস্ত ব্যক্তি পারদ দ্বারা চিকিৎসা, ঝর্নার গন্ধকমিশ্রিত জলে স্নান, অস্হিবেদনা, গ্রন্হিপীড়া,
ঘর্ম, সদ্দি, দেহের যেখানে সেখানে ক্ষতের জন্য ভগ্নস্বাস্হ্য হইয়া পড়িয়াছেন, তাহাদিগের মধ্যেই সচরাচর মার্কসলের লক্ষণ দেখা যায়।
***মার্কসল***
ডাঃ শেখ আব্দুস সালাম।
গরম ঠান্ডা কিছুই সয়না
পরিশ্রমে হয় ঘাম।
সব মৌসুমে পড়তে থাকে
কাঁচা পাকা আম।।
বার বার মলত্যাগেও
বেগ থেকে যায় বেশ।
ত্যাগের আগে পেটে ব্যাথা
ত্যাগেও হয়না শেষ।।
শীত, বর্ষা আর রাত্রেকালে
রোগের হয় বৃদ্ধি।
বিছানায় গেলে উপশম হয়,
আবার গরম হলেই বৃদ্ধি।।
নিজকে নিবোধ ভাবি
বিচার বুদ্ধি হারা।
নিজের মনের ইচ্ছা গুলো
প্রকাশ করিনা তরা।।
কথা অতিদ্রুত বলি
কাজেও দ্রুত ভারী।
প্রশ্ন করলে উত্তর দিতে
হয় যে অনেক দেরী।
গালভরা জিহ্বাটিতে
আছে দাঁতের ছাপ।
আলাজিহ্বাটাও বড় তাতে
বাড়ে কাশির চাপ।।
প্রস্রাব অতি বেশী করি
না হলেও বৃষ্টি।
মুখের স্বাদটি সদাই থাকে
তামা নয়তো মিষ্টি।।
মুখের ভিতর লালা জমে
দুর্গন্ধযুক্ত ফেনা।
পিপাসাও বেশী থাকে
লালার স্বাদটি লোনা।।
পানসে দাঁতে রক্ত পড়ে
একটু দিলেই চাপ।
দাঁতের মাড়ি ফোলা থাকে
ঠান্ডা পানিতে নেই মাফ।।
দাঁত থেকে মাড়ি সরে
আলগা দাঁতের গোড়া।
কিছুদিন নড়ার পরে
শুরু হয় পড়া।।
মুখে জিহ্বায় ক্ষত হয়
ঝরতে থাকে লালা।
কাঁচা পাকা সদ্দি ঝরে
তাতে থাকে জ্বালা।।
কানের বাইরে গরম থাকে
রাত্রি কালে জ্বালা।
রক্ত মাখা হলুদ পুঁজ
কানের গ্রন্হি ফোলা।।
লিভার অতি বড় বটে
শোয়া যায়না ডান পাশ্বে।
কিডনিতেও ব্যাথা করে
প্রস্রাবে সুতা আসে।।
যৌন অঙ্গে কোমল ক্ষত
তাহার উপর কস।
না পাকে না গলে
ঝরতে থাকে রস।।
সিফিলিস আর গণরিয়া
আমার বড় ভক্ত।
কঠিন ক্ষত দুষিত করে
গায়ের সকল রক্ত।।
মার্কসল নামটি আমার
পারদ থেকে আসি।
প্রাকৃতিক ব্যারোমিটার নামে
সবাই করে হাঁসাহাসি।।
**** আজ আপনাদের হোমিওপ্যাথি একটি অতি গুরুত্বপূর্ন ঔষধ মার্কসলের একটি রোগীলিপি শুনাবো ।
মার্কসল এমন একটা ঔষধ- যেটা এন্টিসোরিক, এন্টিসাইকোটিক এবং এন্টিসিফিলিটিক। প্রতিদিনই কোন না কোন রোগীতে প্রয়োগ করাই লাগে।মিউকাস- মেন্ব্রেণ, গ্লান্ড, অস্হি ও শরীরের অনেক যন্ত্রের উপর ভাল কাজ করে, তাই দাঁত বা মাড়ির সমস্যা, জিহ্বা বা গলার সমস্যা, কানের গ্রন্হি বা কুচকি ফোলা, আমাশা বা সিফিলিসের ক্ষত এসব কথা শুনলেই আমরা সবার আগে মার্কসলের দিকে সজাগ দৃষ্টি রেখে লক্ষণ সংগ্রহ করতে থাকি।
কিন্তু আজ আপনাদের সাথে একটা ভিন্ন অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো। রোগী ভদ্রলোক স্বাস্হ্য বিষয়ে খুবই সচেতন, সকল রোগই তিনি অন্কুরেই বিনাশ করতে চান, তাই ছোটখাটো কোন সমস্যা হলেও সাথে সাথে MBBS বা FRCS ডাক্তার দেখান।
উচ্চশিক্ষিত অনেক বড় সরকারী কর্মকর্তা এমন একটা অসুখ বাধিয়েছেন FRCS ডাক্তারে কাজ হচ্ছেনা, এখন শুধু ডাক্তারের বেঁধে দেওয়া খাদ্য তালিকার মধ্যেই চলতে হচ্ছে। হায়রে নিয়তি- যে মানুষটা সপ্তাহে পাঁচদিন পার্টিতে বিরিয়ানী, পোলাও, চাইনিজ,
ছাড়া থাকেনি, আর এখন ঝাল বিহীন পেঁপে বা কাঁচকলা সিদ্ধ খেয়ে জীবন বাচাতে হচ্ছে, প্রতিদিনই দেহ থেকে একটু একটু করে ওজন হারিয়ে যাচ্ছে।
আমার কাছে চিকিৎসা নিয়ে উপকার পাওয়া এক রোগী সেই ভদ্রলোক কে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিল। পরামর্শ দিয়েও বেচারা ভীষন বিপদে পড়েছে, প্রশ্নবানে জর্জরিত হচ্ছে। হোমিওপ্যাথ একটা চিকিৎসা হলো? ডাক্তার কি আপনার কোন আত্নীয়? আপনার কে ভাল হয়েছে? কি অসুখ হয়ছিল? সারতে কতোদিন লেগেছিল? ইত্যাদি।
স্বেচ্ছাচারি জীবন-যাপন এবং অহমবোধ তাকে যে আশৈশব কুরে কুরে খেয়েছে - শিক্ষিত মানুষ হয়েও এসত্য তিনি বুঝতে পারেননি।চিরকাল বিত্তের পুঁজা করতে গিয়ে ভদ্রলোক সত্যের সন্ধান পাননি।তার অহমবোধ আছে কিন্তু সহনশীলতা নেই।পারিবারিক ঐতিহ্য মানির পিছে ছুটে গুনিদের পরিহার করেছেন।রুক্ষ বাস্তবের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যিনি জীবনসমস্যার সমাধান করতে জানেন তিনি অনেক বড় মানুষ,বিত্ত,বিলাস বৈভবই শেষ কথা নয়।আলোর পশ্চাতে যে অন্ধকার লুকিয়ে আছে- এ সত্য ভুলে যাওয়া মুর্খামি।সহজ সরল অনাড়ম্বর জীবনের মাঝে যে তৃপ্তি যে সুখ তা আমরা বুঝতে চাইনা।কারন সে জ্ঞান আমরা অর্জন করিনি।চিত্তের দৈন্যতা থাকলে জীবনের শুন্যতা পুরণ হয়না।
আমরা বস্তুবাদী চিন্তায় লালিত মানুষ নীতিনৈতিকতা বর্জন করে যে ভাবে অর্থলোভী ভোগী ইতর শ্রেনীতে পরিণত হয়েছি, যে ভাবে সুরা-নারীতে আকন্ট নিজেদের ডুবিয়ে নিয়েছি,আর স্বাস্হ্য সচেতনের নামে নামিদামী ডাক্তারের কাছে উচ্চশক্তির এন্টিবায়োটিক, পেনিসিলিন বা পারদের বিষ গ্রহন করে নিজেদের কুকর্ম চাপা দিচ্ছি,তাতে - অরামমেট মার্কসল,সিফিলিনাম যে আমাদের জন্য কতো অপরিহার্য হয়েছে এ সত্য বোঝার মত হৃদয়,এ সত্য দেখার মত দৃষ্টি কয়জনের আছে বলুন?
অবশেষে সে ভদ্রলোক দামী প্রাইভেট এসি গাড়িতে আমার চেম্বারে চিকিৎসার জন্য আসে।
প্রশ্ন করলাম কি সমস্যা? রোগের কথা বলার পূর্বে তার উচ্চ পদমর্যাদার পরিচয় দিতে থাকলেন। আবার প্রশ্ন করলাম আপনার কি কি সমস্যা হয়? ভদ্রলোক তার ড্রাইভারকে নির্দেশ দিলেন গাড়ি থেকে প্যাথোলজি টেষ্টের সবরিপোট গুলো আনার জন্য। আর আমাকে বললেন - আমি I.B.S এর রোগী, আপনি কি কখনো এই রোগের চিকিৎসা করেছেন? আমি বললাম আরো বিস্তারিত বলেন। তিনি বললেন-irritable Bowel Syndrome বুঝতে পারেন নাই? আমি বললাম জি বুঝেছি, কিন্তু আমি আপনার শারীরিক বা মানসিক কি ধরনের সমস্যা হয় তা জানতে চাচ্ছি কারণ হোমিওপ্যাথি লক্ষন বিত্তিক চিকিৎসা।
রোগী বললেন -ফেনাযুক্ত, সেওলা ও আমযুক্ত, মল, কখনো রক্তমিশ্রিত, পুজ মিশ্রিত নানা রঙের বাহ্যে পরিমানে কম কিন্তুুঅত্যন্ত ঘন ঘন হয়, মলদ্বারে তখন গরম অনুভুত হয়।
গালভরা জিহ্বায় দাঁতের ছাপ সুপষ্ট।কথা শুনার সময় মুখের
দুর্গন্ধও অনুভব করলাম
সকল লক্ষন বিবেচনা করে মার্কসল ১এম একডোজ সেবন করিয়ে,১আউন্সের দুই ফাইল ফাইটাম, একটা প্রত্যহ সকাল বিকাল খালিপেটে ১০ ফোটা আর একটা প্রত্যহ দুপুরে আর রাত্রে খালিপেটে ১০ ফোটা হাফ কাপ পানি সহ সেবন করে, একমাস পরে আসতে বললাম।এক মাসে রোগীর আই, বি এস এর অনেক পরিবর্তন হলো, পুনরায় ১ ডোজ মার্কসল ১ এম এবং ২আউন্স ফাইটাম দিলাম, এভাবে চার মাসে রোগী সম্পূর্ন সুস্হ্য হলো তবে চিকিৎসার মাঝে মাঝে কিছু নিন্মশক্তির অগভীরক্রিয়ার ঔষধ প্রয়োজন হয়েছিল।
ডাঃ সৈয়দ Mamun
যত ব্যথা তত ঘাম --- Merc sol নির্দেশ করে | কারণ ঘাম অবস্থায় এত বৃদ্ধি Merc sol ব্যতীত অন্য ঔষধে সাধারণত দেখা যায় না |
Dr. Rrasel Nipon
মুখের ঘা তে বা জিহ্বার ঘা তে বা মুখে জিহ্বায় ফাকা পড়াতে দুটি ঔষধ খুব ভালো কাজ করে মার্ক সল ও বোরাক্স। মার্ক সল মুখ দিয়ে লালা পড়ে অার বোরাক্সে লালা পড়ে না, বোরাক্সের শিশুদের ভয় থাকে, উপর থেকে নিচে নামতে ভয় পায়।
একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: মার্কসলের সমস্ত লক্ষণ থাকার পরেও যদি দেখা যায় যে রোগী বাম কাতে শোবার পর উপশমবোধ করে না তাহলে ঐ রোগীকে মার্কসল দেয়া যাবে না। কিন্তু যদি দেখা যায় যে রোগীর যে কোনো রোগে বা লক্ষণে বাম কাতে শোবার পর উপশমবোধ করে তাহলে ঐ রোগীকে নির্দ্বিধায় মার্কসল দেয়া যাবে।
ঠিক তদ্রুপভাবে যদি ক্যামোমিলার সমস্ত লক্ষণ থাকার পরেও যদি দেখা যায় যে, ছোটদের কোলে নিয়ে বেড়ালে এবং বড়দের হাটলে উপশম হয় না তাহলে ঐ রোগীকে ক্যামোমিলা দেয়া যাবে না ।
কিন্তু যদি দেখা যায় যে, রোগীর যেকোনো রোগলক্ষণে ছোটদের কোলে নিয়ে বেড়ালে এবং বড়দের হাটলে উপশম হয় তাহলে ঐ রোগীকে নির্দ্বিধায় ক্যামোমিলা দেয়া যাবে।
ঠিক এরকম রাগী, উগ্র ও খিটখিটে মেজাজের রোগীকে পালসেটিলা, নম্র ও শান্ত রোগীতে নাক্স ভম ইত্যাদি দেয়া যাবে না। প্রত্যেকটি ঔষধেরই এরকম কনট্রা ইন্ডিকেশন তথ্য রয়েছে তা অামাদেরকে জানতে ও বুঝতে হবে ।
অনেকে বলেন যে, হোমিওপ্যাথিক ঔষধ কাঁটা বের করে কিভাবে? আসলে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ কাঁটা বের করে না। বহিরাগত বস্তু দেহ থেকে বের করে দেয়া জীবনীশক্তির স্বাভাবিক কার্যের অন্তর্ভুক্ত। অঙ্গে কাঁটা ফুটলে তা পেশীর চাপে আটকে যায়। তাই জীবনীশক্তি কাঁটাটি বের করতে পারে না। হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সেবনে কাঁটার চারদিকে পুঁজ উৎপন্ন হয়। তখন কাঁটাটি আলগা হয়ে যায় এবং প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে তা বেরিয়ে আসে।
দেহে কাঁটা ফুটা, কেটে যাওয়া, আঘাত বশত যন্ত্রণা, অগ্নিদগ্ধ ইত্যাদি রোগ জীবনীশক্তি কর্তৃক স্বাভাবিক নিয়মে উৎপন্ন হয় না। তাই এ-সব রোগের সাথে রোগীর সর্বাঙ্গীণ স্বাস্থ্যগত অবস্থার সম্পর্ক নগণ্য। যদিও দেহে সকল প্রকার যন্ত্রণা রোগীর জীবনীশক্তি কর্তৃক অনুভূত হয়, তথাপি এ-সব দুর্ঘটনার জন্য জীবনীশক্তি নিজে দায়ী নয় এবং দুর্ঘটনাটি জীবনীশক্তি কর্তৃক উৎপন্নও হয় নি।
DrMd Aslam
তাহলে যদি লাইকোর সকল লক্ষন মিলে বাট রাইট সাইড না মিলে লেফ্ট সাইড হয় তবে কি লাইকো প্রয়োগ করা যাবে না? হ্যা তবে আপনি যা বলেছেন, বিশেষ করে কেমো, পালস ও মার্ক এর ক্ষেত্রে, তা এক কথায় অনস্বীকার্যI (রাসেল -অাসলাম ভাই প্রত্যেক ঔষধের জন্যই একই নিয়ম নয় । ঔষধ পড়ার সময় অামাদেরকে বুঝে পড়তে হবে।অামাদেরকে প্রতিটি ঔষধের এন্টিডোট সম্পর্কে জানতে হবে। ডা. ক্লার্ক বলেছেন যে, "যে চিকিৎসক ঔষধের এন্টিডোট সম্পর্কে জানেন না সেই চিকিৎসক হচ্ছে ব্রেকবিহীন গাড়ির মতো")
Nazir Ahmed
মার্ক সল ও সাইলেসিয়া পরস্পর বিরোধী।একটির আগে পরে অপরটির ব্যবহার প্রায়শই বিপদজনক হতে পাবে।এখন কথা হলো, যদি মার্ক ব্যবহারের পর সাইলেসিয়া অথবা সাইলেসিয়ার পর মার্কের লক্ষণ উপস্হিত হয় তখন কি করিতে হবে? (ডাঃ সৈয়দ প্রশ্নই ওঠে না | লক্ষণ আসলে অবশ্যই ব্যাবহার করা যাবে | No need. any antidote.)
ডাঃ সৈয়দ Mamun :- মনে করেন আমি একটি রোগীকে Merc sol দিলাম কিন্তু রোগী সুস্থ হলো না| আপনার নিকট গেল, আপনি দেখলেন রোগী Silicea এর |আপনি কি রোগীকে silica দিবেন না?
DrMd Aslam
আমি মার্কের আগে পরে সাইলি দিব না
ডাঃ সৈয়দ
আবার দেখা যায়, অনেক ডাক্তার চোখ বুঝে গলায় কাটা ফুটলে Silicea দিয়ে থাকেন |
DrMd Aslam
সালফারের পর অরাম মেট ব্যবহার করেছেন কে আছেন এমন?
DrMd Aslam
আবার দেখা যায়, অনেক ডাক্তার চোখ বুঝে গলায় কাটা ফুটলে Silicea দিয়ে থাকেন |
রাসেল
ভাই অনেক ডাক্তারই তো সালফার দিনে রাতে কয়েক ডোজ খেতে দেন, নাক্স সকালে বাসিপেটে খেতে দেন, ইগ্নেশিয়া দিনে রাতে উভয় সময়েই দেন, মার্ক সাইলি অল্টানেট দেন, ক্যালকেরিয়ার পর সালফার দেন এরকম অনেকই দেখি ভাই কিন্তু কিছু কইতে পারি না ওগো।
অান্যাগেলিসের চর্মরোগ হাতের তলায় বা পায়ের তলায় হয়। অর্থাৎ হাতের পায়ের শক্ত চামড়ায় এটা অ্যানাগেলিসের একটি বিশেষত্ব।
Greenlife Homoeohall
নাজিরভাই এবং আসলাম ভাইয়ের রোগীলিপিতে মার্কসলের লালাস্রাব এবং দুর্গন্ধের লক্ষন ধরে - টনসিল গলাব্যাথা এবং ক্রনিক আমাসা রোগী আরগ্যের সুন্দর চিত্র ফুটে উঠেছে যে হৃদয় পটে আঁকা এ চিত্র চীরদিন মনে থাকবে আমাদের।
আর মাসুমভাই আসল কথাটাই বলেছেন ইদানিং ৮০% শিশুর এ ধরনের সমস্যা হচ্ছে, আমাশা আর রাত্রিকালে পেটে ব্যাথা মার্কসল ছাড়া আরগ্য হচ্ছেনা।
জাকারিয়াভাই কেও মুল্যবান বথা বলার জন্য ধন্যবাদ।
Nazir Ahmed
সবাই নিজের ইচ্ছে মতো যুক্তির বিচার করলেন।অথচ রাধা রমন বলে ভিন্ন কথা।যদি মার্ক অথবা সাইলেসিয়ার পর বিপরীতধর্মী কোনটার লক্ষণ আসে তখন সালফার, হিপার নাক্স অথবা মোটামোটি লক্ষণ সাদৃশ্য কোন ঔষধ দু'এক মাত্রা ব্যবহার করে তারপর মার্ক অথবা সাইলেসিয়া ব্যবহার করতে হবে- রাধারমণ।
Dr. Zakaria Habib
পরিষ্কার জিহ্বা থাকলে মার্কসল ব্যবহারে অনেকবার চিন্তা করতে হবে।
পিপাসাহীন, ঘর্মহীন, রাত্রিতে রোগের বৃদ্ধি নয় সেই রোগী কখনই মার্কসলের নয়।
পানির অপর নাম জীবন। পানি সবচেয়ে উৎকৃষ্ট দ্রাবক। মধু অনেক দামি, দুধ কিনতে পয়সা লাগে। কিন্তু আপনি দুধ, মধু দিয়ে পবিত্র হতে পারবেন না। পবিত্র হতে পানি লাগে। পানিকে এত অবজ্ঞা কেন? একদিন পানি পান করা থেকে বিরত থাকুন দেখুন কেমন লাগে। একদিন বাসায় পানি না থাকলে চিৎকার চেচামেচি শুরু হয়ে যায়। সমস্ত সৃষ্টি আল্লাহ পানি থেকে সৃষ্টি করেছেন। সেই পানির মধ্যেই হোমিও ওষুধ প্রদান করা হয়। জগৎ বিখ্যাত চিকিৎসাবিজ্ঞানী মহাত্মা হ্যানিম্যান পানির মধ্যেই হোমিও ওষুধ রোগীকে প্রদান করতে বলেছেন। রোগী এভাবে স্পষ্ট করে বলতে হবে।
Our concern only Homoeopathy. Not personal activities.
Who gave so- called `pani-pora' it's not our concern. Sorry such comment.
একজন সাধনা করে ফু দিয়ে রুমালে আগুন ধরাতে পারেন, নদীর উপর দিয়ে হেটে যেতে পারেন অথবা শুধু পানি পড়া দিয়ে রোগী আরোগ্য করতে পারেন সেটা অন্য বিষয়। আমাদের আলোচনারি বিষয় হোমিওপ্যাথি।
আলোচনা
Dr. Afsana Pervin Sonia
মার্কসল, শিশুদের ছোট কৃমির জন্য লক্ষণ অনুযায়ী প্রয়োগ করলে খুব ভাল কাজ করে।
অনেকবার এর প্রমাণ পেয়েছি।
পানির অপর নাম জীবন। পানি সবচেয়ে উৎকৃষ্ট দ্রাবক। মধু অনেক দামি, দুধ কিনতে পয়সা লাগে। কিন্তু আপনি দুধ, মধু দিয়ে পবিত্র হতে পারবেন না। পবিত্র হতে পানি লাগে। পানিকে এত অবজ্ঞা কেন? একদিন পানি পান করা থেকে বিরত থাকুন দেখুন কেমন লাগে। একদিন বাসায় পানি না থাকলে চিৎকার চেচামেচি শুরু হয়ে যায়। সমস্ত সৃষ্টি আল্লাহ পানি থেকে সৃষ্টি করেছেন। সেই পানির মধ্যেই হোমিও ওষুধ প্রদান করা হয়। জগৎ বিখ্যাত চিকিৎসাবিজ্ঞানী মহাত্মা হ্যানিম্যান পানির মধ্যেই হোমিও ওষুধ রোগীকে প্রদান করতে বলেছেন। রোগী এভাবে স্পষ্ট করে বলতে হবে

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Arsenic Album Benefits and Side Effects!

http://www.ihomeopathic.com/2017/04/arsenic-album-benefits-and-side-effects.html#more Arsenic Album 30 is the most commonly used remed...