ভেক্সিনোসিন মায়াজম
ডা: মহিব্বুর রহমান স্যার ( নোয়াখালী) এর ভেক্সিনোসিন মায়াজমের নোটটা সময়ের অভাবে লিখতে পারছিনা। তবে ডা: ফায়েক এনামের( চট্টগ্রাম) এ লিখাটি পড়লে ভেক্সিনোসিন মায়াজম সম্পর্কে মোটামুটি ভাল একটা ধারনা পাবেন ইনশাআল্লাহ্।
Collected from-Fayek Anam`s post.
একটি হিন্দি ছবি দেখছিলাম।প্রথম থেকে দেখতে পারিনি।দেখলাম বৃদ্ধের মত কুঁজো একলোক যার সারা শরীরে অদ্ভূত ধরণের বড় বড় টিউমার।ছোট ভাইকে জিজ্ঞেস করলাম ঘটনা কী ? সে বলল,একটি মেয়েকে সে ভালবাসত।এ মেয়ের বড় ভাই তা জানতে পেরে ঐ যুবককে এক ধরণের ভ্যাক্সিন বা টীকা পুশ করে।এর কুফলস্বরূপ ঐ যুবক দেখতে বৃদ্ধের মত হয়ে যায় এবং তার সারাদেহে অদ্ভূত দর্শন সব টিউমার দেখা দিতে থাকে।ছবির নায়িকা একসময় তা জানতে পেরে ঐ বিকৃতদেহের যুবককেই ভালবেসে ফেলে।এগিয়ে যেতে থাকে কাহিনী।
এবার আসছি মূল আলোচনায়।বিশিষ্ট হোমিও চিকিত্সকগণ ভ্যাক্সিন সম্পর্কে ভয়াবহ তথ্য দিয়েছেন।তাঁদের মতে ভ্যাক্সিনের কুফল অত্যন্ত মারাত্নক।তাঁদের মতে-
ভ্যাক্সিন দেহে শতশত রোগ সৃষ্টি করতে পারে।টিউমার ,আচিল ,দাঁত ক্ষয়ে যাওয়া ,সর্দিকাশি ,ক্যান্সারসহ শতশত রোগ।
ভ্যাক্সিন বা টীকার কুফলে দেহে ভ্যাক্সিন মায়াজম নামক একটি বিশেষ মায়াজমের সৃষ্টি হয়।
চট্টগ্রামের বিশিষ্ট হোমিওপ্যাথ অধ্যক্ষ ডা.আবদুল করিম মহোদয় ভ্যাক্সিনের কুফল সম্পর্কে বলেন-"ভ্যাক্সিন দেওয়া মানে এক ডাকাতদলের হাত থেকে গৃহ রক্ষার জন্য আরেকদল ডাকাত নিয়োগ করা।"
নিরাপত্তা রক্ষায় ব্যবহৃত ডাকাতদল দ্বারা গৃহকর্তা যে আক্রান্ত হবেনা তারইবা গ্যারান্টি কোথায়।
টীকা গ্রহণ করাও তেমন ব্যাপার।কিছু রোগকে ঠেকাতে দেহের মধ্যে মারাত্মক কিছু রোগকে আক্রমণের সুযোগ করে দেওয়ার নামান্তর।তাই ,সবার প্রতি পরামর্শ টীকা গ্রহণ করা থেকে নিজে বিরত থাকুন ,অন্যদেরকেও টীকার কুফল সম্পর্কে অবহিত করুন।হোমিওপ্যাথগণ আমাদেরকে শুধু টীকার কুফল সম্পর্কে অবহিতই করেননি।বরং টীকার কুফল দূর করতে হোমিওপ্যাথিক প্রতিবিধানও আবিষ্কার করেছেন।
হোমিওপ্যাথিতে রয়েছে টীকার কুফল নষ্ট করার জন্যে বিশেষ ধরণের ঔষধ ,যে ঔষধগুলো এন্টিভ্যাক্সিন ঔষধ হিসেবে সুপরিচিত।যেমন-থুজা,সাইলিসিয়া,এন্টিম টার্ট,হিপার,আর্সেনিক,এপিস,
মেজিরিয়াম,ভ্যাক্সিনিনাম,
ম্যালেন্ড্রিয়াম,ইচিনেসিয়া ইত্যাদি।
রোগিলিপি প্রণয়ণের সময় রোগীর অতীত ইতিহাসে টীকা দেওয়ার ইতিহাস পাওয়া গেলে টীকার কুফল দূর করতে লক্ষণ সাদৃশ্যে উপরোক্ত ঔষধগুলো থেকে প্রয়োগ করতে হবে।
লক্ষ্য করুন,টীকা বিষাক্ততায় রোগীরা আকাশে উড়ার স্বপ্ন দেখে।
আবার,টীকাজনিত কারণে দেহে সাইকোসিস অবস্থাও সৃষ্টি হতে পারে।উপরে বর্ণিত স্বপ্নটিও সাইকোসিসের স্বপ্ন।
আমরা জানি,আকাশে উড়ার স্বপ্ন দেখে থুজার রোগীরা এবং থুজা একটি এন্টিসাইকোটিক ঔষধ,যেটিকে কিংসাইকোটিক হিসেবে অভিহিত করা হয়।তাছাড়া টীকার কুফলে দেখা দেওয়া দন্তক্ষয় এবং টিউমারের মত লক্ষণও থুজা উৎপন্ন করতে সক্ষম।এসকল কারণে টীকার কুফলনাশক ঔষধগুলোর মধ্যে থুজাকেই সর্বশ্রেষ্ঠ ঔষধ হিসেবে বিবেচনা করা যায়।
টীকার কুফলে সৃষ্ট বিশেষ মায়াজমেটিক অবস্থায় অনেক সময় উপযুক্ত ঔষধও ব্যর্থ হতে থাকে।এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই এন্টিভ্যাক্সিন ঔষধ প্রয়োগ করে আরোগ্যের পথের বাঁধা দূর করতে হবে।
অনেকে বলতে পারেন ,টীকা দিতে নিষেধ করা হচ্ছে কিন্তু রোগপ্রতিরোধে টীকার কুফলবিহীন কোন ব্যবস্থা হোমিওপ্যাথিতে আছে কী ?
-সুখের বিষয় হল,রোগপ্রতিরোধের জন্য হোমিওপ্যাথিতে অত্যন্ত চমত্কার পদ্ধতি রয়েছে।হোমিও গবেষণের মতে,মানুষের দেহে রোগপ্রবণতা বিরাজ করতে থাকে।কারো ক্ষেত্রে এ প্রবণতা বেশি ,কারও ক্ষেত্রে কম।এ প্রবণতাকে হোমিওপ্যাথিক ফিলিসোফিতে বলা হচ্ছে-"সাসসেপটিবিলিটি"।এ সাসসেপটিবিলিটি বা প্রবণতা দূর করতে পারলেই মানুষের দেহ ও মন নির্মল হয় এবং রোগের আক্রমণ থেকে রেহাই পায়।মানুষের দেহের রোগপ্রবণতা দূর করার জন্য হোমিওপ্যাথিতে রয়েছে কনিস্টিটিউশনাল ট্রিটমেন্ট।কনিস্টিটিউনাল ট্রিটমেন্টের জন্যও রয়েছে অসংখ্য ঔষধরাজী।
-----------অতএব সুস্থ সুন্দরভাবে বাঁচতে চাইলে টীকা নেওয়া থেকে বিরত থাকুন এবং হোমিওপ্যাথির দারস্ত হোন।-ধন্যবাদ।
ডা: মহিব্বুর রহমান স্যার ( নোয়াখালী) এর ভেক্সিনোসিন মায়াজমের নোটটা সময়ের অভাবে লিখতে পারছিনা। তবে ডা: ফায়েক এনামের( চট্টগ্রাম) এ লিখাটি পড়লে ভেক্সিনোসিন মায়াজম সম্পর্কে মোটামুটি ভাল একটা ধারনা পাবেন ইনশাআল্লাহ্।
Collected from-Fayek Anam`s post.
একটি হিন্দি ছবি দেখছিলাম।প্রথম থেকে দেখতে পারিনি।দেখলাম বৃদ্ধের মত কুঁজো একলোক যার সারা শরীরে অদ্ভূত ধরণের বড় বড় টিউমার।ছোট ভাইকে জিজ্ঞেস করলাম ঘটনা কী ? সে বলল,একটি মেয়েকে সে ভালবাসত।এ মেয়ের বড় ভাই তা জানতে পেরে ঐ যুবককে এক ধরণের ভ্যাক্সিন বা টীকা পুশ করে।এর কুফলস্বরূপ ঐ যুবক দেখতে বৃদ্ধের মত হয়ে যায় এবং তার সারাদেহে অদ্ভূত দর্শন সব টিউমার দেখা দিতে থাকে।ছবির নায়িকা একসময় তা জানতে পেরে ঐ বিকৃতদেহের যুবককেই ভালবেসে ফেলে।এগিয়ে যেতে থাকে কাহিনী।
এবার আসছি মূল আলোচনায়।বিশিষ্ট হোমিও চিকিত্সকগণ ভ্যাক্সিন সম্পর্কে ভয়াবহ তথ্য দিয়েছেন।তাঁদের মতে ভ্যাক্সিনের কুফল অত্যন্ত মারাত্নক।তাঁদের মতে-
ভ্যাক্সিন দেহে শতশত রোগ সৃষ্টি করতে পারে।টিউমার ,আচিল ,দাঁত ক্ষয়ে যাওয়া ,সর্দিকাশি ,ক্যান্সারসহ শতশত রোগ।
ভ্যাক্সিন বা টীকার কুফলে দেহে ভ্যাক্সিন মায়াজম নামক একটি বিশেষ মায়াজমের সৃষ্টি হয়।
চট্টগ্রামের বিশিষ্ট হোমিওপ্যাথ অধ্যক্ষ ডা.আবদুল করিম মহোদয় ভ্যাক্সিনের কুফল সম্পর্কে বলেন-"ভ্যাক্সিন দেওয়া মানে এক ডাকাতদলের হাত থেকে গৃহ রক্ষার জন্য আরেকদল ডাকাত নিয়োগ করা।"
নিরাপত্তা রক্ষায় ব্যবহৃত ডাকাতদল দ্বারা গৃহকর্তা যে আক্রান্ত হবেনা তারইবা গ্যারান্টি কোথায়।
টীকা গ্রহণ করাও তেমন ব্যাপার।কিছু রোগকে ঠেকাতে দেহের মধ্যে মারাত্মক কিছু রোগকে আক্রমণের সুযোগ করে দেওয়ার নামান্তর।তাই ,সবার প্রতি পরামর্শ টীকা গ্রহণ করা থেকে নিজে বিরত থাকুন ,অন্যদেরকেও টীকার কুফল সম্পর্কে অবহিত করুন।হোমিওপ্যাথগণ আমাদেরকে শুধু টীকার কুফল সম্পর্কে অবহিতই করেননি।বরং টীকার কুফল দূর করতে হোমিওপ্যাথিক প্রতিবিধানও আবিষ্কার করেছেন।
হোমিওপ্যাথিতে রয়েছে টীকার কুফল নষ্ট করার জন্যে বিশেষ ধরণের ঔষধ ,যে ঔষধগুলো এন্টিভ্যাক্সিন ঔষধ হিসেবে সুপরিচিত।যেমন-থুজা,সাইলিসিয়া,এন্টিম টার্ট,হিপার,আর্সেনিক,এপিস,
মেজিরিয়াম,ভ্যাক্সিনিনাম,
ম্যালেন্ড্রিয়াম,ইচিনেসিয়া ইত্যাদি।
রোগিলিপি প্রণয়ণের সময় রোগীর অতীত ইতিহাসে টীকা দেওয়ার ইতিহাস পাওয়া গেলে টীকার কুফল দূর করতে লক্ষণ সাদৃশ্যে উপরোক্ত ঔষধগুলো থেকে প্রয়োগ করতে হবে।
লক্ষ্য করুন,টীকা বিষাক্ততায় রোগীরা আকাশে উড়ার স্বপ্ন দেখে।
আবার,টীকাজনিত কারণে দেহে সাইকোসিস অবস্থাও সৃষ্টি হতে পারে।উপরে বর্ণিত স্বপ্নটিও সাইকোসিসের স্বপ্ন।
আমরা জানি,আকাশে উড়ার স্বপ্ন দেখে থুজার রোগীরা এবং থুজা একটি এন্টিসাইকোটিক ঔষধ,যেটিকে কিংসাইকোটিক হিসেবে অভিহিত করা হয়।তাছাড়া টীকার কুফলে দেখা দেওয়া দন্তক্ষয় এবং টিউমারের মত লক্ষণও থুজা উৎপন্ন করতে সক্ষম।এসকল কারণে টীকার কুফলনাশক ঔষধগুলোর মধ্যে থুজাকেই সর্বশ্রেষ্ঠ ঔষধ হিসেবে বিবেচনা করা যায়।
টীকার কুফলে সৃষ্ট বিশেষ মায়াজমেটিক অবস্থায় অনেক সময় উপযুক্ত ঔষধও ব্যর্থ হতে থাকে।এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই এন্টিভ্যাক্সিন ঔষধ প্রয়োগ করে আরোগ্যের পথের বাঁধা দূর করতে হবে।
অনেকে বলতে পারেন ,টীকা দিতে নিষেধ করা হচ্ছে কিন্তু রোগপ্রতিরোধে টীকার কুফলবিহীন কোন ব্যবস্থা হোমিওপ্যাথিতে আছে কী ?
-সুখের বিষয় হল,রোগপ্রতিরোধের জন্য হোমিওপ্যাথিতে অত্যন্ত চমত্কার পদ্ধতি রয়েছে।হোমিও গবেষণের মতে,মানুষের দেহে রোগপ্রবণতা বিরাজ করতে থাকে।কারো ক্ষেত্রে এ প্রবণতা বেশি ,কারও ক্ষেত্রে কম।এ প্রবণতাকে হোমিওপ্যাথিক ফিলিসোফিতে বলা হচ্ছে-"সাসসেপটিবিলিটি"।এ সাসসেপটিবিলিটি বা প্রবণতা দূর করতে পারলেই মানুষের দেহ ও মন নির্মল হয় এবং রোগের আক্রমণ থেকে রেহাই পায়।মানুষের দেহের রোগপ্রবণতা দূর করার জন্য হোমিওপ্যাথিতে রয়েছে কনিস্টিটিউশনাল ট্রিটমেন্ট।কনিস্টিটিউনাল ট্রিটমেন্টের জন্যও রয়েছে অসংখ্য ঔষধরাজী।
-----------অতএব সুস্থ সুন্দরভাবে বাঁচতে চাইলে টীকা নেওয়া থেকে বিরত থাকুন এবং হোমিওপ্যাথির দারস্ত হোন।-ধন্যবাদ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন