+ ব্রাইয়োনিয়া, জেলসিনিয়াম, ওপিয়াম এর মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় :
ব্রাইয়োনিয়া চুপ চাপ হয়ে থাকার কারন হচ্ছে যে নরাচরায় তার সকল কষ্টের বৃদ্ধি হয় তাই সে চুপ চাপ হয়ে থাকে।
জেলসিনিয়াম : চুপচাপ হয়ে থাকে কারণ তার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সে নরাচরা বা কথা বলতে পারে না। রোগীর ইচ্ছে হয় যে সে কথা বলবে বা উত্তর দিবে কিন্তু রোগীর জীবনী শক্তি এত দুর্বল হয়ে পড়ে যে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও উত্তর দিতে পারে না।
ওপিয়াম : রোগী চুপচাপ থাকার কারন হচ্ছে যে সে একেবারে বোধ শক্তি হারিয়ে ফেলে। এই রোগীর স্নায়ু একেবারে অকেজো হয়ে যায়। এমন কি ডাঃ প্রশ্ন করলে উত্তর টি পর্যন্ত তার কানে পৌঁছায় না।
+ সঠিক সময় রোগীকে ব্রাইয়োনিয়া প্রয়োগ করতে না পারলে রোগী প্রথম ধাপ অতিক্রম করে দ্বিতীয় ধাপ অর্থাৎ জেলসিনিয়াম এ ধাবিত হয়। আবার যদি সময় মতো সদৃশতা অনুযায়ী রোগীকে জেলসিনিয়াম প্রয়োগ করা না যায় তাহলে রোগী দ্বিতীয় ধাপ অতিক্রম করে তৃতীয় ধাপ অর্থাৎ ওপিয়াম এ এসে উপস্থিত হয়। এটাই থাকে সদৃশ বিধান অনুযায়ী রোগীর জীবনী শক্তি কে ফিরিয়ে আনার শেষ সুযোগ। যদি সাদৃশ্য বিধান অনুযায়ী রোগীকে ওপিয়াম প্রয়োগ করা হয় তাহলে।
+ কোষ্টবদ্ধটা সাথে মাথা ব্যাথা এটা অদ্ভুত লক্ষণে পড়বে কিনা জানা নেই ভাইয়া
+ ব্রায়োনিয়ার
অদ্ভুত লক্ষণঃ সকল রোগ যন্ত্রণা সকালেই শুরু হয়। ঘুম থেকে উঠলেই রোীগী
বুঝতে পারে তার শরীরটা যেন খারাপ। বিমর্ষ ও অচেতন ভাব।
+ বিশ্রামে উপশম। কিন্তু এমন সময় আসে যখন বিশ্রামে থাকতে থাকতে বৃদ্ধি ঘটে। তখন নড়াচড়ায় উপশম হয়।
+ রোগী বিকার অবস্থায় বাড়িতে থাকা সত্ত্বেও শুধু প্রলাপ বকে বাড়ী যাবো বাড়ী যাবো,,,,,,,,
+
ব্রাইয়োনিয়া চুপ চাপ হয়ে থাকার কারন হচ্ছে যে নরাচরায় তার সকল কষ্টের বৃদ্ধি হয় তাই সে চুপ চাপ হয়ে থাকে।
জেলসিনিয়াম : চুপচাপ হয়ে থাকে কারণ তার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সে নরাচরা বা কথা বলতে পারে না। রোগীর ইচ্ছে হয় যে সে কথা বলবে বা উত্তর দিবে কিন্তু রোগীর জীবনী শক্তি এত দুর্বল হয়ে পড়ে যে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও উত্তর দিতে পারে না।
ওপিয়াম : রোগী চুপচাপ থাকার কারন হচ্ছে যে সে একেবারে বোধ শক্তি হারিয়ে ফেলে। এই রোগীর স্নায়ু একেবারে অকেজো হয়ে যায়। এমন কি ডাঃ প্রশ্ন করলে উত্তর টি পর্যন্ত তার কানে পৌঁছায় না।
+ সঠিক সময় রোগীকে ব্রাইয়োনিয়া প্রয়োগ করতে না পারলে রোগী প্রথম ধাপ অতিক্রম করে দ্বিতীয় ধাপ অর্থাৎ জেলসিনিয়াম এ ধাবিত হয়। আবার যদি সময় মতো সদৃশতা অনুযায়ী রোগীকে জেলসিনিয়াম প্রয়োগ করা না যায় তাহলে রোগী দ্বিতীয় ধাপ অতিক্রম করে তৃতীয় ধাপ অর্থাৎ ওপিয়াম এ এসে উপস্থিত হয়। এটাই থাকে সদৃশ বিধান অনুযায়ী রোগীর জীবনী শক্তি কে ফিরিয়ে আনার শেষ সুযোগ। যদি সাদৃশ্য বিধান অনুযায়ী রোগীকে ওপিয়াম প্রয়োগ করা হয় তাহলে।
+ কোষ্টবদ্ধটা সাথে মাথা ব্যাথা এটা অদ্ভুত লক্ষণে পড়বে কিনা জানা নেই ভাইয়া
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন